August 31, 2025

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Thursday, July 31st, 2025, 3:33 pm

ইরানের পেট্রোলিয়াম কেনাবেচার অভিযোগে ভারতের ৬ প্রতিষ্ঠানে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি/ ফাইল ফটো: বিবিসি

 

ইরানের পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারতের ছয়টি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এসব প্রতিষ্ঠান ইরানি তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের কেনাবেচায় ‘গুরুত্বপূর্ণ লেনদেনে’ ইচ্ছাকৃতভাবে জড়িত ছিল এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানসংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বা মার্কিন নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণাধীন যেকোনো স্থানে এসব কোম্পানির সম্পদ ও স্বার্থ ‘ব্লক’ বা জব্দ থাকবে। এবং মার্কিন নাগরিক ও কোম্পানিগুলো তাদের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবে না। এদের অধীনস্থ যেসব সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ৫০% বা তার বেশি মালিকানা রয়েছে, তারাও নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে।

এ পদক্ষেপের আওতায় বিশ্বের আরও ২০টি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা ছয়টি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান হলো অ্যালকেমিক্যাল সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড, গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিক্যালস লিমিটেড, জুপিটার ডাই কেম প্রাইভেট লিমিটেড, রমনিকলাল এস. গোসালিয়া অ্যান্ড কোম্পানি, পার্সিসটেন্ট পেট্রোকেম প্রাইভেট লিমিটেড ও কাঞ্চন পলিমার্স।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠান ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে তাদের জ্বালানি বাণিজ্যে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ইরানের ‘ছায়া নৌবহর’ ও বিশ্বব্যাপী মধ্যস্বত্বভোগীদের দমন করা, যারা ইরানি তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য পরিবহনে সহায়তা করে থাকে।

এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫% পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণাও দিয়েছেন। আগামী ১ আগস্ট থেকে এ শুল্ক কার্যকর হবে।

এছাড়া, রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র ও জ্বালানি কেনার কারণে ভারতকে শাস্তি দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান, যদিও সেই শাস্তির ধরন এখনও স্পষ্ট নয়।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানি তেল বিক্রির মাধ্যমে যে অর্থ আসে, তা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সহায়তায় ব্যবহৃত হয়।

এনএনবাংলা/আরএম