গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়ন ইউনিয়ন আওয়ামী শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মইদুল ইসলাম সোনা দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তার বাড়ি এলাকা চওড়াপাড়ায় বিগত এক বছর ধরে তার কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছে। বালু উত্তোলনের ফলে কৃষি জমি এখন গভীর পুকুরে পরিণত হয়েছে। এতে পাশের কৃষি জমি, কবরস্থান ও সোনার নিজের বাড়িও হুমকির মুখে পড়েছে। পাশের জমির মালিক কামরুজ্জামান ও তার পরিবারের লোকজন বার বার বালু উত্তোলনে নিষেধ করলেও দলীয় দাপট দেখিয়ে সোনা তাদের দমন করে রাখে। আওয়ামী সরকার পতনের পরও সোনার দাপট কমেনি। সে বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখায় পাশের জমির সীমানায় ফাটল দেখা দেয়। গত ২১ ডিসেম্বর কামরুজ্জামান পুনরায় সোনাকে বালু উত্তোলনে বাধা নিষেধ করে এবং তার জমিতে খুটি গেড়ে দেয় যাতে বালু পরিবহনে মাহিন্দ্র যেতে না পারে। এতে সোনা ক্ষীপ্ত হয়ে কামরুজ্জামানকে বিভিন্ন গালিগালাজসহ ভয়ভীতি ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি হুমকি দেয়। কামরুজ্জামান নিরুপায় ওইদিন থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় সোনার বিরুদ্ধে। সরজমিন গেলে চওড়াপাড়ার স্থানীয় আবুল কালাম, সাত্তার, সবুজ, মনজু বেগম, সুরজিনা, জিল্লুর রহমানসহ অনেকে জানান, মইদুল ইসলাম সোনা মাদকসেবি, মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়াড়ি। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ হলেও আওয়ামী লীগের দাপটে পুলিশ আজও সঠিক ব্যবস্থা নেয়নি। সে আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়ে এলাকার মানুষজনকে নানাভাবে হয়রানি করেছে। এখনও তার দাপটে অতিষ্ঠ মানুষজন। বালু তুলে লক্ষ লক্ষ টাকা বিক্রি করে মাদক ব্যবসা ও সেবনে এবং জুয়ায় শেষ করছে। সোনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এলাকাবাসী। অভিযোগকারী কামরুজ্জামান বলেন, সোনার বিষয়ে সবাই জানে সে কি করে এবং কতটা দাপটের। তার ভয়ে কেউ সাহস পায়না মুখ খুলতে। তার বালু তোলার কারণে আমার কৃষি জমি ভাঙনে হুমকির মুখে। আমি নিষেধ করলে সে হুমকি দেয়। মইদুল ইসলাম সোনা জানায়, অভিযোগ দিয়েছে তাতে কি হয়েছে, আমি আমার জমি থেকে বালু উত্তোলন করেছি তাতে দোষের কি ? গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল এমরান বলেন, অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন
সাংবাদিকদের সাথে রংপুর পুলিশ সুপারের মতবিনিময়
আশুলিয়ায় মরদেহ পোড়ানোর মামলায় কনস্টেবল মুকুল কারাগারে
শীতে শিশুদের সুস্থ রাখবে যেসব খাবার