বেসরকারি খাতের তিন ব্যাংক মেঘনা, এনআরবি এবং এনআরবি কমার্শিয়ালের বোর্ড ভেঙে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইসঙ্গে প্রতিটি ব্যাংকে ৬ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১২ মার্চ) রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মুখপাত্র জানান, এসব ব্যাংকের পরিচালকরা তাদের স্ব স্ব ব্যাংকের চেয়ারম্যান কে হবে, তা তারা নির্বাচিত করবেন। আগামীকাল এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণাধীন ৮টিসহ মোট ১১ ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে নতুন বোর্ড গঠন করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সে সময়ই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছিলেন, পর্যায়ক্রমে আরও কিছু ব্যাংকের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার দ্বিতীয়বারের মতো অ্যাকশনে গিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পরই ব্যাংকিং খাতে বেশ কিছু সাহসী পদক্ষেপ নেন গভর্নর। আর্থিক খাতকে ঢেলে সাজাতে একগুচ্ছ কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেন। এর মধ্যে বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের হাত থেকে দখলমুক্ত করেন ইসলামী, এসআইবিএল, ফার্স্ট সিকিউরিটিসহ আরও কয়েকটি ব্যাংক।
এ ছাড়া আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, কঠোর নজরদারির মাধ্যমে বাণিজ্যভিত্তিক অর্থপাচার রোধ, মূল্যস্ফীতি কমাতে নীতি সুদহার বৃদ্ধিসহ আরও কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাহসী পদক্ষেপে এরই মধ্যে দেশের মূল্যস্ফীতি এক অংকের ঘরে নেমে এসেছে। ব্যাংকের ওপরও মানুষের আগের চেয়ে আস্থা ফেরা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে খুব শিগগিরই আরও ইতিবাচক ফল আসবে বলে আশাবাদী খাত সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন
শেখ হাসিনা-ইমরান এইচ সরকারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
ওরিয়নের ওবায়দুল ও পরিবারের ৩১ ব্যাংক হিসাবের ২০ কোটি টাকা অবরুদ্ধের আদেশ
মা ছেলের ভালোবাসা দেখতে খুব সুন্দর লাগছে