সাইবার সুরক্ষা আইনে গ্রেপ্তার বুয়েট শিক্ষার্থী শ্রীশান্ত রায়ের বিরুদ্ধে নতুন করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ২৯৫(ক) ধারা সংযোজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমানের আদালতে এই আদেশ দেন।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার এসআই শাহজাহান সিরাজ আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলায় ২৯৫(ক) ধারা সংযোজনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অনুপস্থিত থাকায় শ্রীশান্তের জামিন আবেদনটি নামঞ্জুর করা হয়।
এর আগে, বুধবার শ্রীশান্তকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। সেদিন আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন।
জানা গেছে, বুয়েট শিক্ষার্থী শ্রীশান্ত রায়ের বিরুদ্ধে সহপাঠীকে যৌন হয়রানি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠার পর মঙ্গলবার মধ্যরাতে বুয়েট ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা তার শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভে নামেন। ওই রাতেই চকবাজার থানা পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।
পরদিন বুধবার বুয়েটের সিকিউরিটি অফিসার আফগান হোসেন চকবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আহসান উল্লাহ হলের শিক্ষার্থী শ্রীশান্ত রায় ছদ্মনাম ‘উইকলি সার্ভিস ৯২৩’ (ইংরেজিতে) ব্যবহার করে চলতি বছরের ৮ জুন থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুসলিম নারী ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক লেখা প্রকাশ করেন।
দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর উক্ত ছদ্মনামের পেছনে থাকা প্রকৃত ব্যক্তি হিসেবে শ্রীশান্ত রায়কে শনাক্ত করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, তার এসব পোস্টে মুসলিম নারী ও ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করা হয়েছে, যা বুয়েটের শিক্ষার্থীসহ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার
জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষায় দায়মুক্তি অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত: আসিফ নজরুল
রাজধানীতে পাইপলাইন লিকেজে তীব্র গ্যাস সংকট, ভোগান্তিতে নগরবাসী