March 28, 2025

The New Nation | Bangla Version

Bangladesh’s oldest English daily newspaper bangla online version

Monday, March 24th, 2025, 3:12 pm

পাবনা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের ২২ পদের ১১টিই ছাত্রলীগ নেতা!

পাবনা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ :  দীর্ঘদিন প্রতীক্ষার পর পাবনা মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের ২২ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ২২ সদস্যের এই কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১১ পদেই নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ১১ জন নেতাকে গুরুত্বপুর্ণ পদ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাসির এই কমিটির অনুমোদন দেন। একই সঙ্গে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কমিটি পুর্ণাঙ্গ করে কেন্দ্রে জমা দেয়ার নির্দেশও  দেয়া  হয়েছে।

পাবনা মেডিকেল কলেজের নবগঠিত ছাত্রদলের কমিটি এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বঙ্গবন্ধু হল শাখার পূর্বের কমিটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়- শাখা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান শুভ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কলেজের হল শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিমুল আহসান তনিম ছিলেন তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, সহ-সভাপতি রাহুল রায় ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ আল ফায়াদ ছিলেন ছাত্রলীগের গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত ছিলেন ছাত্রলীগের আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম ছিলেন ছাত্রলীগেরও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, আরেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান ছিলেন ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক, আরেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তাসরীফ আলম ছিলেন হল ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক। এছাড়াও নবনির্বাচিত যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক স্বাধীন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাবিল,  প্রচার সম্পাদক সামিন রাফিদ আরোহ ছিলেন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী।

এবিষয়ে নবগঠিত ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান শুভ বলেন, আমি কখনও ছাত্রলীগ করতাম না। কিন্তু ওই সময়ে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক কলেজে যারা একটিভ ছিল তাদেরকেই কমিটিতে সরাসরি এড করে দিয়েছিল। আমার অনুমতি না নিয়েই তারা আমাকে ছাত্রলীগের হল কমিটিতে রেখেছিল।

তবে নবনির্বাচিত সভাপতি সাগর মাহমুদ বলেন, ‘ওদের অজান্তেই ওরা হল কমিটিতে নাম ছিল কিন্তু জুলাই আন্দোলনে পদত্যাগসহ ভূমিকা ছিল। আন্দোলনের পরপরই তারা ওই কমিটিতে কিভাবে নাম আসলো তা ক্লিয়ার করেছে। তারা পদত্যাগ অনেক আগেই করেছে বা সেগুলো নিয়ে আমাদের কাছে ক্লিয়ার ভিডিও আছে। এটা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।’

এব্যাপারে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাসিরের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিবার যোগাযোগ করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।