সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক–কর ১৪ শতাংশ বেড়ে ২ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা আদায় হয়েছে।
দেশের রপ্তানি ও আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে এটি সম্ভব হয়েছে।
বিদায়ী অর্থবছরে রাজস্ব আদায় ১৪ শতাংশ বাড়লেও তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে এনবিআর। তবে আগের অর্থবছর ২১ সালের চেয়ে ৩৬ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় করেছে সংস্থাটি।
বিদায়ী অর্থবছরে এনবিআর আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং শুল্ক থেকে তিন লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত লক্ষ্যের বিপরীতে প্রায় দুই লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে।
দেশের সবচেয়ে বড় শুল্ক–কর আদায়কারী সংস্থা চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস গত অর্থ বছরে ৫৯ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা আদায় করেছে। এছাড়া আরেকটি বড় কাস্টমস হাউস বেনাপোল বিদায়ী অর্থবছরে ৪ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকা আদায় করেছে।
সর্বোচ্চ ভ্যাট আদায় করেছে লার্জ ট্যাক্সপেয়ার ইউনিট (এলটিইউ)। সংস্থাটি ৫০ হাজার কোটি টাকা এবং এলটিইউ (আয়কর) বিভাগ প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা আদায় করেছে।
এনবিআরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ীরা ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার কোটি থেকে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ভ্যাট রিটার্ন জমা দেবেন।
এছাড়া বেশ কিছু রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকার কর পাওনা আছে এনবিআরেরর শুল্ক বিভাগের।
রাজস্ব কর্মকর্তারা আশা করছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে বকেয়া করের একাংশ পাওয়া গেলে রাজস্ব আদায় প্রথমবারের মতো তিন লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।
—ইউএনবি

আরও পড়ুন
ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ সহজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান বাংলাদেশের
কুমিল্লায় বাস–সিএনজি–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে বাসে আগুন, শিশুসহ নিহত ৪
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার