আব্দুর রহমান মিন্টু,রংপুর: রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় চালের বাজার সামান্য ঊর্ধ্বমুখী। আলু সহ বিভিন্ন সবজি ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম কমায় সাধারণ মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। কমেছে গরুর মাংস ও পোলট্রি মুরগির ডিমের দাম।
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর জানান, রংপুর জেলা সব সময় ধান চাল উৎপাদনে উদ্বৃত্ত এলাকা। প্রতিবছর শুধু মাত্র রংপুর জেলা থেকে উৎপাদিত সাড়ে চাল লাখ মেট্রিক টন চাল দেশের অন্যান্য জেলার চাহিদা মিটিয়ে থাকে।
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর উপ রিচালক মো: সিরাজুল ইসলাম জানান আমন মৌসুমে রংপুর জেলায় ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭শ ২৩ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছিলো । সেখানে লক্ষ্য মাত্রা ছাপিয়ে চাষ হয়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৯শ ৪০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছিলো ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪৪ মেট্রিক টন চাল। সেই লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশী চাল উৎপাদন হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর জানান, রংপুর জেলা সব সময় ধান চাল উৎপাদনে উদ্বৃত্ত এলাকা। প্রতিবছর শুধু মাত্র রংপুর জেলা থেকে উৎপাদিত সাড়ে চাল লাখ মেট্রিক টন চাল দেশের অন্যান্য জেলার চাহিদা মিটিয়ে থাকে।
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর উপ রিচালক মো: সিরাজুল ইসলাম জানান আমন মৌসুমে রংপুর জেলায় ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭শ ২৩ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছিলো । সেখানে লক্ষ্য মাত্রা ছাপিয়ে চাষ হয়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৯শ ৪০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছিলো ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪৪ মেট্রিক টন চাল। সেই লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশী চাল উৎপাদন হয়েছে।
রংপুরে চালের দাম দফায় দফায় বাড়ার কোনো কারণ তিনি দেখছেন না। তার ধারণা এটা ‘সিন্ডিকেট চক্রের কারসাজি’। রংপুরে চালের দাম আবারও বেড়েছে। প্রকার ভেদে কেজি প্রতি চালের দাম ৬ থেকে ৮ টাকা বেড়েছে। আড়তগুলোতে চালের মজুত ভাল বলেই সংশি¬ষ্টরা জানিয়েছেন। তবে তারপরও চালের দাম বাড়ছে।
চালের দাম বাড়ায় স্বল্প আয়ের মানুষ, শ্রমজিবীসহ মধ্য বিত্ত পরিবার চরম বিপাকে পড়েছে। সাধারণত শ্রমজীবীরা বা স্বল্প আয়ের অনেকেই এই এলাকায় তিন বেলা ভাত খান। তবে এখন তারা দু’বেলা খেতে বাধ্য হচ্ছেন।
বিভাগীয় নগরী রংপুরের দেশের অন্যতম বড় চালের মোকাম রংপুর সিটি বাজার ও মাহিগজ্ঞ মোকামে গিয়ে দেখা গেছে ৪২ টাকা কেজির মোটা চাল ৬ থেকে ৮ টাকা বেড়ে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আজকের বাজার দর অনুযায়ী, প্রতিকেজি মিনিকেট চাল ৯০-৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম প্রকারভেদে ৩ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন, দু-একদিনের মধ্যে চালের দামও কমে যাবে। এবারে রমজানে নিত্যপণ্যসহ কোন পণ্যের দামই তেমন বাড়েনি।
বিভাগীয় নগরী রংপুরের দেশের অন্যতম বড় চালের মোকাম রংপুর সিটি বাজার ও মাহিগজ্ঞ মোকামে গিয়ে দেখা গেছে ৪২ টাকা কেজির মোটা চাল ৬ থেকে ৮ টাকা বেড়ে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আজকের বাজার দর অনুযায়ী, প্রতিকেজি মিনিকেট চাল ৯০-৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম প্রকারভেদে ৩ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন, দু-একদিনের মধ্যে চালের দামও কমে যাবে। এবারে রমজানে নিত্যপণ্যসহ কোন পণ্যের দামই তেমন বাড়েনি।
বুধবার রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি টমেটো ১৫-২০ টাকা, গাজর ২০-২৫ টাকা, ঝিংগা ১১০-১২০ টাকা, ফুলকপি ১৫-২০ টাকা পিস, বাঁধাকপি ১০ টাকা পিস, চালকুমড়া (আকারভেদে) ৪০-৫০ টাকা, কাঁচকলা ২৫-৩০ টাকা হালি, দুধকুষি ৫০-৬০ টাকা, সজনে ১৫০-১৬০ টাকা, চিকন বেগুন ৩০-৩৫ টাকা, গোল বেগুন ৪৫-৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৭০-৮০ টাকা, পটল ৭০-৮০ টাকা, শিম ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৬০-৭০ টাকা, পেঁপে ৩৫-৪০ টাকা, শসা ৩০-৩৫ টাকা, করলা ৬০-৭০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ২৫-৩০ টাকা, কচুর লতি ৬০-৭০ টাকা, লেবুর হালি ৩০-৩৫ টাকা, ধনেপাতা ৩০-৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২৫-৩০ টাকা, শুকনা মরিচ ৪৫০-৫০০ টাকা এবং সব ধরনের শাক ১০ থেকে ২০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে।
সিটি বাজারে সবজি কিনতে আসা ক্রেতা বলেন, ‘রোজা শুরুর পর থেকেই সবজির দাম ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে। তাই রোজা উপলক্ষে সবজি কিনতে বাড়তি চাপ নিতে হয়নি।’ খুচরা বাজারে প্রতিকেজি কাঁচামরিচ ৩৫-৪০ টাকা, আদা ১০০-১২০ টাকা, রসুন ৮০-৯০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ২৫-৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে পোলট্রি মুরগির ডিমের দাম। পাইকারি বাজারে প্রতি হালি ডিমের দাম ৩২ টাকা। তবে খুচরা বাজারে সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৬ থেকে ৩৮ টাকা। গত সপ্তাহে খুচরা বাজারে ডিমের হালি ছিল ৪০-৪১ টাকা। বাজার ঘুরে দেখা যায়, নাগালের মধ্যে রয়েছে সব ধরনের আলুর দাম। কার্ডিনাল আলু ২০ টাকা কেজি, শিল আলু ৩৫ টাকা, ঝাউ আলু ৩৫ টাকা এবং বগুড়ার লাল পাগড়ি আলু ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
লালকুটি বাজারের সবজি বিক্রেতা বলেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার রমজানে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। বিশেষ করে আলু, পেঁয়াজ, মরিচের দাম অনেকটাই কম। সেইসঙ্গে ডিমের দামও কমতে শুরুকরেছে। তবে বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজির সরবরাহ কম থাকায় দাম একটু চড়া। আর কয়েক দিন পর সরবরাহ বাড়লে দামও কমে আসবে।
রমজানের শুরু থেকে স্থিতিশীল রয়েছে মুরগির দাম। খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ২৬০-২৮০ টাকা, দেশি মুরগি ৫০০-৫৫০ টাকা এবং পাকিস্তানি লেয়ার ২৮০-৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে গরুর মাংস ৬৫০-৬৭০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০-১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সিটি বাজারের মুরগি বিক্রেতা বলেন, মুরগির আমদানি বেড়েছে। রমজানে মুরগির দাম নিয়ে যে শঙ্কা ছিল তা এখন নেই। শুরু থেকেই দাম স্থিতিশীল আছে।
সিটি বাজারের মুরগি বিক্রেতা বলেন, মুরগির আমদানি বেড়েছে। রমজানে মুরগির দাম নিয়ে যে শঙ্কা ছিল তা এখন নেই। শুরু থেকেই দাম স্থিতিশীল আছে।
একই বাজারে মুরগি কিনতে আসা ক্রেতা বলেন, ‘গরুর মাংস ও খাসির মাংস কেনার সামর্থ্য আমার নেই, তাই সোনালি মুরগিই ভরসা। এই মুরগির দাম রোজা শুরুর আগে ৩৫০ টাকা ছিল, এখন ২৫০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। এটি আমাদের মতো নিম্নআয়ের মানুষের জন্য একটা স্বস্তির বিষয় । সবজির দামও এখন কম।’
নগরীর লালকুঠি বাজারে গরুর মাংস কিনতে আসা ক্রেতা বলেন, ‘গরুর মাংস গত ১৫ দিন ধরে ৬৫০ থেকে ৬৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তাই স্বল্প আয়ের মানুষও ইচ্ছে করলে গরুর মাংস কিনতে পারছে।’
খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন ১৭৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৮০-১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মসুর ডাল (চিকন) ১৩০-১৪০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগ ডাল ১৬০-১৮০ টাকা, বুটের ডাল ১৩০ টাকা, চিনি ১২০-১২৫ টাকা, ছোলাবুট ১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫০ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং ময়দা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুচরা বাজারে ‘বিআর-২৮’ ৮৫ টাকা, জিরাশাইল ৭৩-৭৫ টাকা, মিনিকেট ৯০-৯৫ টাকা এবং নাজিরশাইল ৯৫-৯৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এক সপ্তাহ আগেও নাজির শাইল চাল ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছিলো। তবে তা এখন বেড়ে ৮২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একই ভাবে কাটারী ভোগ ৭২ টাকা থেকে বেড়ে ৮২ টাকা কেজি, মিনিকেট চাল ৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭৮ টাকা, জিরা শাইল চাল ৬৪ টাকা থেকে বেড়ে ৬৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বিআর-২৮ চাল ৫৬ টাকার স্থলে ৬৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচেছ। আর দেশী স্বর্না চাল কিছুদিন আগেও ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিলো। এখন কেজিতে ৪ টাকা বেড়ে ৫৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
আড়তদারদের অভিযোগ বড় বড় মিলাররা চাল ‘গুদামজাত’ করে ‘কৃত্রিম সংকট’ সৃষ্টি করায় চালের দাম বেড়েছে। তবে সিটি বাজার ও মাহিগজ্ঞ মোকামে ব্যবসায়ীদের গুদামে যথেষ্ট পরিমাণ চাল মজুত আছে। সিটি বাজারের চাল বিক্রেতা বলেন, ‘সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম প্রকারভেদে ৩ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে। বাজারে নতুন ধানের চাল না আসা পর্যন্ত দাম কমার সম্ভাবনা দেখছি না।’
মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুই মাছ ২৭০-৩৫০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২০০-২২০ টাকা, পাঙ্গাস ১৫০-১৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৬০, কাতল ৪০০-৪৫০ টাকা, বাটা ১৬০-১৮০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০-২৫০ টাকা এবং গছি মাছ ৮০০-১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
রংপুর প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডক্টর আবু সাইদ জানান রংপুর নগরীতে রোজার শুরুতে ৬ পয়েন্টে ডিম , দুধ, গরুর মাংস ও বয়লার মুরগী বিক্রি করা হতো । কয়েকদিন থেকে শাপলা চত্বর , খাসবাগ ও সিভিল সার্জন অফিসের সামনে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দুধ , ডিম , বয়লার মুরগীও গরুর মাংস বিক্রি করা হচ্ছে ।এত করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে । রংপুরে জেলা প্রশাসক রবিউল ফয়সাল বলেন, ‘বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। রোজাদার মানুষের যাতে কষ্ট না হয় সেদিকে সরকার খেয়াল রাখছে।
আরও পড়ুন
জেলেদের চাল আত্মসাত: অভিযোগের তীর ইউপি প্রশাসক ও দুই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে
শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের সাংবাদিকদের সম্মানে হাজী সেলিম ফাউন্ডেশন এর ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময়
ঈদকে সামনে রেখে সুন্দরবনে বাড়তি নিরাপত্তা, বনজ সম্পদ রক্ষায় কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল