প্রতিশোধ, মধুর প্রতিশোধ হয়তো একেই বলে! ম্যাচশেষে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন ভারতীয় ফুটবলাররা। অথচ সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা আগেই নিশ্চিত করেছে ভারত। দিনটি তাদের জন্য হওয়ার কথা ছিল উৎসবের। তাতে পানি ঢেলে দিয়েছেন প্রীতি-আলপিরা। ৭ গোলের থ্রিলারে ভারতকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
ভূটানের চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে ইনজুরি টাইমে প্রীতির গোলে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত হয়।
এর আগে ম্যাচের শুরুতেই গোল দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে গিয়েছিল। প্রথম মিনিটে মামনি চাকমার লম্বা পাসে পূর্ণিমা মার্মা হেডের সাহায্যে গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন (১-০)। ৭ মিনিটে আনুশকা কুমারির শট ক্রসবারে লেগে ফেরত আসে। দুই মিনিট পর রক্ষনভাগের ভুলে আনুশকা কোনাকুনি শটে ভারতকে সমতায় ফেরান (১-১)। ৩৪ মিনিটে আলপি আক্তারের গোলে আবারো এগিয়ে যায় বাংলাদেশ (২-১)।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বাংলাদেশের লিড বাড়ান প্রীতি। লম্বা পাস থেকে দারুন ফিনিশিংয়ে প্রীতি নিজের প্রথম গোল করেন (৩-১)। ম্যাচের নাটকীয়তা তখনো বাকি। ৬৫ মিনিটে প্রীতিকা বর্মন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেঘলা রানীর মাথার উপর দিয়ে বল জালে পাঠালে ভারত ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় (৩-২)। ৮৯ মিনিটে আরো একটি দুরপাল্লার শটে বাংলাদেশ গোল হজম করে। জুলান নংমাইথেমের গোলে এবার ম্যাচে সমতা ফেরায় ভারত (৩-৩)।
ইনজুরি টাইমে প্রীতির শট ভারতীয় গোলরক্ষক মুন্নীর হাত ফসকে পোস্টে লেগে জালে প্রবেশ করলে দারুন এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অর্পিতার দল।
ছয় ম্যাচে পাঁচ জয়ে ভারতের সংগ্রহ ছিল ১৫। সম সংখ্যক ম্যাচে বাংলাদেশ চার জয়, এক ড্র ও এক পরাজয়ে ১৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছিল। ভূটানের সাথে ড্র না করলে বাংলাদেশেরও সংগ্রহে থাকতো ১৫ পয়েন্ট। তখন হেড টু হেড ও গোল ব্যবধানে শিরোপা নির্ধারিত হতো।
উল্লেখ্য, প্রথম রাউন্ডে ভারত ২-০ গোলে বাংলাদেশকে পরাজিত করেছিল।
এনএনবাংলা/
আরও পড়ুন
দুই সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু প্রভার
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর-আগুন
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি