প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেইক সালিভান। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান ফোনে কথা বলেছেন। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় তাদের দু’জনের আলোচনায় দু’দেশের পারস্পরিক স্বার্থের বিষয় উঠে আসে।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) চিফ অ্যাডভাইজার (জিওবি) ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মার্কিন সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন জ্যাক সুলিভান। এছাড়া প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি পুনরায় সমর্থন জানিয়ে জ্যাক সুলিভান একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য মার্কিন সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে নিশ্চিত করেন।
ফোনলাপে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রশংসা করার কথা উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৮ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণের পর, গত সাড়ে চার মাস ধরে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যে নেতৃত্ব দিয়েছেন তার প্রশংসা করেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। এছাড়া বাংলাদেশের অর্থনীতি ইতোমধ্যে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতি ও নির্বাচন সংক্রান্ত এবং অন্যান্য সংস্কার এবং জাতীয় নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করার জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান জ্যাক সুলিভান।
আরও বলা হয়, টেলিফোন আলাপে তারা বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি নিয়েও আলোচনা করেন। ওই সময় প্রফেসর ইউনূস দেশের প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা সংকট কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশকে উদার সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান। প্রধান উপদেষ্টা গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক সফরের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে তার বৈঠকের কথা স্মরণ করেন।
প্রফেসর ইউনূস জানান, তিনি জানুয়ারির মধ্যে ছয়টি বড় সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার বিষয়ে আশা করছেন। এরপর সংস্কার ও নির্বাচনের জন্য জাতিকে প্রস্তুত করতে জাতীয় ঐকমত্য গঠন প্রক্রিয়া শুরু হবে।

আরও পড়ুন
বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে আইসিসির তিন পর্যবেক্ষণ, অনড় ক্রীড়া উপদেষ্টা
জনসমর্থনে ব্যবধান ১.১ শতাংশ, বিএনপি ৩৪.৭ ও জামায়াত ৩৩.৬ শতাংশ
গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে দেশজুড়ে সরকারের ব্যাপক কর্মসূচি