ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় গাজার সচল থাকা শেষ হাসপাতালও রক্ষা পায়নি। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, এসব হামলায় একদিনে অন্তত ৮৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা ৬৫ হাজার ছাড়িয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গাজার বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে অন্তত ৮৩ জনের মরদেহ এবং ৩৮৫ জন আহতকে আনা হয়েছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন এবং সরঞ্জাম ও জনবল সংকটের কারণে তাদের উদ্ধার সম্ভব হচ্ছে না।
জানা যায়, আল-শিফা হাসপাতালের বাইরে ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে ১৫ জন নিহত হন। এছাড়া আল-আহলি হাসপাতালের কাছে গুলিতে প্রাণ হারান আরও চারজন। শুধু তাই নয়, খাদ্য ও ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে বুধবার ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে আরও ৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং অন্তত ৮৭ জন আহত হন। এর ফলে ত্রাণ সংগ্রহের পথে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫০৪ জন এবং আহতের সংখ্যা ১৮ হাজার ৩৪৮ জনে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি বাহিনী (আইডিএফ) গাজায় অভিযান শুরু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৫ হাজার ৬২ জনে। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৯৭ জন।
এদিকে, গত ২ মার্চ থেকে গাজায় খাদ্য ও ত্রাণ সরবরাহ সীমিত করে রেখেছে ইসরাইল। এর ফলে তীব্র খাদ্যাভাব ও অপুষ্টি দেখা দিয়েছে। শুধু বুধবারই খাদ্যাভাব ও অপুষ্টিজনিত কারণে মারা গেছেন ৪ জন। গত প্রায় দুই বছরে এ কারণে গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪৩২ জন, যাদের মধ্যে ১৪৬ জন শিশু।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
রুশ তেল কিনলেই ৫০০% শুল্ক: ভারতের জোট ছাড়ল যুক্তরাষ্ট্র
ইউরোপজুড়ে তুষারপাতে বিপর্যয়: ৬ জনের মৃত্যু, শত শত ফ্লাইট বাতিল
‘স্যার, আমি কি আপনার সঙ্গে একটু দেখা করতে পারি’, ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছিলেন মোদি