নেপালে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে, ভেসে গেছে সেতু।
রোববার (৫ অক্টোবর) সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর মুখপাত্র কালিদাস ধৌবোজি জানিয়েছেন, ভারতের পূর্ব সীমান্তবর্তী ইলাম জেলায় পৃথক ভূমিধসে ৩৫ জন নিহত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার থেকে বন্যায় ভেসে যাওয়া ৯ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালের অন্যান্য স্থানে বজ্রপাতে আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র শান্তি মাহাত বলেছেন, হিমালয়ে অবিরাম বৃষ্টিপাতের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধার প্রচেষ্টা চলছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগামী সোমবার এবং মঙ্গলবার দেশব্যাপী সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। তবে সংকট মোকাবেলায় জরুরি পরিষেবা এবং দুর্যোগ মোকাবেলা দলগুলোর ছুটি বাতিল হয়েছে।
কাঠমান্ডু পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ কয়েকটি জেলায় ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে। জলপথের কাছাকাছি বাসিন্দাদের অবিলম্বে অন্যত্র চলে যাওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
রাজধানী কাঠমান্ডুর কিছু অংশসহ প্রধান জনবহুল এলাকাগুলোও এই সতর্কতার আওতায় পড়েছে। রাজধানীতে পরিবহন অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং ভূমিধসের কারণে কাঠমান্ডুর সঙ্গে যোগাযোগের সমস্ত প্রধান রুট বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
প্রসঙ্গত, প্রতি বছর বর্ষাকালে ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যায় শত শত মানুষ মারা যাওয়া নেপালে সাধারণ ঘটনা। সাধারণত জুনের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়ে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত এটি চলতে থাকে।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু মতবিভেদ নয়: তারেক রহমান
১৬ মাসে সবচেয়ে বেশি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছি: আসিফ নজরুল
ইরানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ তুঙ্গে, নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়ালো