৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে আন্দোলনরত প্রার্থীদের সঙ্গে শাহবাগে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকেলে এই সংঘর্ষের সময় পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে। তবে পরীক্ষার্থীরা সেখানেই অবস্থান নিয়ে আছেন।
প্রথমে আন্দোলনকারীরা দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন। শাহবাগ মোড়ে পুলিশ ব্যারিকেড স্থাপন করলে তাঁরা সেখানে অবস্থান নেন।

প্রার্থীদের দাবি, আগের বিসিএসগুলোতে লিখিত পরীক্ষার জন্য ৬ মাস থেকে ১ বছর সময় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ৪৭তম বিসিএসে সময় দেওয়া হয়েছে মাত্র ৬০ দিন, যা তাদের প্রস্তুতির জন্য যথেষ্ট নয়। আন্দোলনকারীরা পরীক্ষার তারিখ পেছানোর পাশাপাশি যথাযথ প্রস্তুতির সময় দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এর আগে আন্দোলনকারীরা স্মারকলিপি, মিছিল, সড়ক অবরোধ ও অনশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়েছেন। রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহে রেলপথেও তারা অবরোধ করেন। চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কেও আন্দোলন করতে দেখা গেছে। পরীক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, পরীক্ষা যদি পেছানো না হয়, তারা পরীক্ষায় অংশ নেবেন না।
পিএসসি জানিয়েছে, আগামী ২৭ নভেম্বর থেকে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহে একযোগে ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যেই আসনবিন্যাস প্রকাশসহ সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে।

পিএসসি আরও জানিয়েছে, পরীক্ষা পেছানোর দাবি এক পক্ষ থেকে এসেছে, অন্য পক্ষ যথাসময়ে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে। এছাড়া আন্দোলনকারীদের কথায় লিখিত পরীক্ষার জন্য সময় মাত্র দুই মাস—এই তথ্যও সঠিক নয়। ৩ জুনে সময়সূচি জানানো হয়েছিল, ফলে প্রার্থীরা অন্তত ছয় মাস প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছেন।
পিএসসি চেয়ারম্যান নিশ্চিত করেছেন, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২৭ নভেম্বর থেকে লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে আইসিসির তিন পর্যবেক্ষণ, অনড় ক্রীড়া উপদেষ্টা
মুস্তাফিজ দলে থাকলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়বে- আইসিসির চিঠি
গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে দেশজুড়ে সরকারের ব্যাপক কর্মসূচি