February 24, 2026
Thursday, January 8th, 2026, 3:21 pm

বন্ধ এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি, চরম ভোগান্তিতে গ্রাহকরা

 

এলপিজি সিলিন্ডারের দাম পুনর্নির্ধারণ এবং ডিলারদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে ঢাকাসহ দেশের সব এলাকায় এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ ও বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এর ফলে হঠাৎ করেই ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। অনেক এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার একেবারেই পাওয়া যাচ্ছে না, আবার কোথাও সীমিত পরিমাণে পাওয়া গেলেও তা বিক্রি হচ্ছে অতিরিক্ত দামে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে দেশের সব পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয় ব্যবসায়ী সমিতি। পাশাপাশি সব কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলন বন্ধ রাখার ঘোষণাও দেওয়া হয়।

এর আগে বুধবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দুই দফা দাবি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। দাবিগুলো হলো—

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম পুনরায় সমন্বয় করা

ডিলারদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করা

ব্যবসায়ীরা জানান, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখা হবে।

এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম খান বলেন, “বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। আজ বিকেল ৩টায় বিইআরসির সঙ্গে আমাদের বৈঠক নির্ধারিত আছে। বৈঠকে দাবি মেনে নেওয়া হলে বিক্রি পুনরায় শুরু হবে, অন্যথায় বন্ধই থাকবে।”

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দোকানগুলোতে এলপিজি সিলিন্ডার মিলছে না। কোথাও অল্প কিছু সিলিন্ডার থাকলেও তা বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

হঠাৎ করে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রান্নার গ্যাস নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলপিজি ব্যবহারকারীরা। বিশেষ করে শহরের ফ্ল্যাটবাড়ি ও দোকান-রেস্তোরাঁগুলোতে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

এনএনবাংলা/পিএইচ