ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় ২ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক ইরানি কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি দাবি করেন, বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মৃত্যুর জন্য ‘সন্ত্রাসীরা’ দায়ী। তবে নিহতদের পরিচয় বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি ওই কর্মকর্তা।
এর আগে একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা জানায়, বিক্ষোভে কয়েক শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত এক সপ্তাহে রাতের বেলা বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের একাধিক ভিডিও যাচাই করেছে রয়টার্স। ভিডিওতে বন্দুকধারীদের সহিংসতা, গাড়ি ও ভবনে আগুন লাগানোর দৃশ্য দেখা গেছে।
কয়েকদিনের টানা ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের পর সোমবার কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে পরিস্থিতি। এর ফলে বিক্ষোভকারীদের তাণ্ডবে সৃষ্ট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র প্রকাশ পাচ্ছে।
হাসপাতালগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে আহতদের ভিড় দেখা গেছে। একই সঙ্গে মর্গগুলোতে জমেছে মরদেহের স্তুপ। বিক্ষোভ দমনে দেশজুড়ে ধরপাকড় ও অভিযান অব্যাহত রেখেছে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলার বিষয়টি এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিবেচনায় রয়েছে। তবে তিনি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট বলেন,“প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টেবিলে সব বিকল্পই থাকে। এর মধ্যে বিমান হামলাও একটি। তবে কূটনীতিই তার প্রথম পছন্দ।”
তিনি আরও বলেন, ইরানি শাসকরা প্রকাশ্যে যা বলছেন, তা তাদের ব্যক্তিগত বার্তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সেই বার্তাগুলো পর্যালোচনায় আগ্রহী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
দক্ষিণ এশিয়ায় ৫ম, বিশ্বে ৭ম দুর্বল বাংলাদেশের পাসপোর্ট
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশের নতুন গৌরব
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির