ভোক্তা পর্যায়ে আবারও বাড়ানো হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর দাম। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য সরকার এলপি গ্যাসের দাম প্রতি লিটারে ৪ টাকা ২১ পয়সা বাড়িয়েছে। ফলে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৫০ টাকা।
সোমবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য এলপিজির নতুন মূল্য ঘোষণা করেন।
সৌদি আরামকোর দাম ও ফ্রেইট চার্জ বৃদ্ধির প্রভাব
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে সৌদি আরামকো ঘোষিত প্রোপেন ও বিউটেনের গড় মূল্য প্রতি টন ৫৪১ দশমিক ৭৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের মাসে ছিল ৫২১ দশমিক ৭৫ ডলার। আন্তর্জাতিক বাজারে এই মূল্য বৃদ্ধিই দেশে এলপিজির দাম বাড়ার প্রধান কারণ।
এ ছাড়া ফ্রেইট চার্জও বেড়েছে। গত মাসে ফ্রেইট চার্জ ছিল ১০৮ ডলার, যা ফেব্রুয়ারিতে ১২০ ডলারে সমন্বয় করা হয়েছে। পাশাপাশি জানুয়ারিতে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৫১ পয়সা ধরা হলেও ফেব্রুয়ারি থেকে ডলারের বিনিময় হার ১২৫ টাকা ৫৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম কত?
নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতি কেজি এলপিজির খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৩ টাকা ০৪ পয়সা, যা আগে ছিল ১০৮ টাকা ৮৩ পয়সা। ফলে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৫৬ টাকায়।
রেটিকুলেটেড এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১০৫ টাকা ০৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০৯ টাকা ২০ পয়সা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতি লিটার অটো গ্যাসের দাম ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬২ টাকা ১৪ পয়সা।
আমদানি ও বাজার পরিস্থিতি
বিইআরসির চেয়ারম্যান জানান, জানুয়ারি মাসে দেশে ১ লাখ ৫ হাজার টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে এই পরিমাণ বেড়ে ১ লাখ ৮৪ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো জানিয়েছে।
বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরবরাহ না বাড়লে দাম বাড়ে। তবে বিইআরসি প্রকৃত দামের চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করে। কয়েকজন বোতলজাতকারী প্রতিষ্ঠান বেশি দাম নিচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব।’
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬: এক নজরে সব বিজয়ীর তালিকা
প্রেস উইংয়ের বিবৃতি: গণভোটের পর সরকারের মেয়াদ বাড়ছে—এমন দাবি ভিত্তিহীন
তিন বছর পর প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে ফিরছে পরীক্ষা, থাকছে ধারাবাহিক মূল্যায়নও