February 20, 2026
Thursday, February 19th, 2026, 11:31 pm

ইমরান খান কিংবদন্তি, অবশ্যই সুচিকিৎসা পাওয়া উচিত: সৌরভ গাঙ্গুলী

 

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খানের স্বাস্থ্যের অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট কিংবদন্তিরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী।

পাকিস্তানের গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, কারান্তরীণ অবস্থায় ইমরান খানের ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবরটি প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররাও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

সৌরভ গাঙ্গুলী বলেন, ‘অধিনায়করা যা করেছেন তা ঠিকই করেছেন। ইমরান খান পাকিস্তানকে বিশ্ব মানচিত্রে পরিচয় করিয়েছেন—বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মধ্য দিয়ে। তিনি কিংবদন্তি। অবশ্যই তার সুচিকিৎসা পাওয়া উচিত। রাজনীতি ভিন্ন বিষয়, কিন্তু সুচিকিৎসা তো পাওয়া উচিত। আমি আশা করবো পাকিস্তান সরকার তার সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন।’

এদিকে ক্রিকেটভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ জানিয়েছে, ইমরান খানের উন্নত চিকিৎসা ও মানবিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান সরকারের কাছে এক যৌথ আবেদন জমা দিয়েছেন বিশ্বের ১৬ জন সাবেক অধিনায়ক।

এই আবেদনে তারা অনুরোধ জানিয়েছেন, ইমরান খান যেন তার পছন্দমতো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকে ‘অবিলম্বে, পর্যাপ্ত এবং ধারাবাহিক চিকিৎসা’ পাওয়ার সুযোগ পান। বিশেষ করে হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার দৃষ্টিশক্তির অবনতির বিষয়টি উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী মর্যাদাপূর্ণ কারাবাসের পরিবেশ এবং পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাতের নিশ্চয়তা চাওয়া হয়েছে।

এই যৌথ মানবিক আবেদনে স্বাক্ষরকারী কিংবদন্তিদের মধ্যে রয়েছেন—গ্রেগ চ্যাপেল, মাইকেল আথারটন, অ্যালান বোর্ডার, মাইকেল ব্রেয়ারলে, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্দা ক্লার্ক, ডেভিস গোয়ার, কিম হিউজেস, নাসের হুসেইন, ক্লাইভ লয়েড, স্টিভ ওয়াহ এবং জন রাইট।

তারা স্পষ্ট করেছেন, এই আবেদন কোনো আইনি প্রক্রিয়ার বিরোধিতা নয়; বরং ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা ও মানবিক বিবেচনা থেকেই করা হয়েছে। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের আইনি ও মানবিক অধিকার রক্ষায় তারা ঐক্যবদ্ধভাবে অবস্থান নিয়েছেন।

এখন দেখার বিষয়, বিশ্ববরেণ্য ক্রিকেটারদের এই মানবিক আহ্বানে পাকিস্তান সরকার কী পদক্ষেপ নেয়।

এনএনবাংলা/