‘মৃত্যুর আগ পর্যন্ত’ মন্ত্রিসভায় যোগ দেবেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় গয়েশ্বর বলেন, “আমি জানতাম, মন্ত্রী হব না। এটা জেনেই সেদিন (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। আমি আপনাদের বলে গেলাম, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমি মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না। আপনারা বলছেন, মন্ত্রী না হওয়ার জন্য নাকি রাগ করে আসছি।
“আমি সংসদ সদস্য; জনগণের প্রতিনিধি। শেষ পর্যন্ত মানুষের পক্ষে লড়াই করব, নিয়মের কথা বলব এবং নিয়ম প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করব।”
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে যান তিনি। পরে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “মন্ত্রিসভায় ডাক পেলে আমি আগেই জানতে পারতাম। একজন জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে আমাকে সামনের সারিতে বসার আসন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক কর্মকর্তা না জেনে মন্ত্রী ছাড়া সবাইকে আসন ছেড়ে দিতে বলেন।
“এমনকি না গেলে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) ডেকে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে আমি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করি। ফেরার সময় অনেকে থাকতে অনুরোধ করলে কিছুটা রাগ প্রকাশ করি। পরে সেটিই ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে সংবাদমাধ্যমে।”
গণমাধ্যমকর্মীদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান বিএনপির এই প্রবীণ নেতা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক। এতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া ও আফতাব আহমেদ, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম এবং দক্ষিণ থানার ওসি এম সাইফুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
পিলখানা হত্যাকাণ্ড সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী
মেয়েদের বিপিএলে ভারতীয় ক্রিকেটারদের খেলা নিয়ে যা বললেন রুবাবা দৌলা
ঈদে ‘ইত্যাদি’তে দর্শকের সঙ্গে অভিনয় করলেন মোশাররফ করিম