১৬ মাস ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকা বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান–এর জাতীয় দলে ফেরা নিয়ে আবারও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। জানুয়ারি থেকে তাঁর দেশের জার্সিতে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) চলছে নানা আলাপ-আলোচনা।
তবে বিষয়টি সহজ হচ্ছে না। কারণ, হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলায় আসামি হওয়ায় সাকিবের ফেরা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে।
বিসিবির সিদ্ধান্ত ও মন্ত্রীর ভিন্ন সুর
২৪ জানুয়ারি বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় সাকিবকে দলে ফেরানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। বোর্ডের একাধিক পরিচালক পাকিস্তান সিরিজ দিয়েই তাঁর ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ভিন্ন অবস্থান জানিয়েছেন। ঢাকায় এক ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আইনজীবীর মাধ্যমে মামলা লড়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারলেই সাকিব বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারবেন।
‘মামলাটি খতিয়ে দেখা উচিত’ — পাইলট
সাকিবের দেশে ফেরা নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে, তখন রাজশাহীতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, সাকিবের নামে যে হত্যা মামলা রয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা উচিত।
পাইলট বলেন, “যে মামলার ব্যাপারে আমি যত দূর জানি, একটা খুনের মামলায় (আসামি) করা হয়েছে। আমাদের দেশে অনেক মামলা হয়, কখনো কখনো ভুল মামলাও হয়। কিন্তু আমার ব্যক্তিগত মতামত—সাকিবের মতো একজন ক্রিকেটার বিদেশ থেকে কাউকে মারবে, এটা আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হয়। আমার মনে হয় না সে এ ধরনের কাজ করতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, অভিযোগকারী কোন ভিত্তিতে মামলা করেছেন, সেটির সঠিক তদন্ত হওয়া দরকার। কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মামলা হলে সেটি অন্যায় বলেও মন্তব্য করেন পাইলট।
আইনি প্রক্রিয়ার ওপরই নির্ভর করছে ফেরা
সব মিলিয়ে সাকিবের জাতীয় দলে ফেরা এখন পুরোপুরি আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে। বিসিবির সিদ্ধান্ত থাকলেও, সরকার ও আইনগত অবস্থানই চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করবে—বাংলাদেশের জার্সিতে কবে ফিরবেন দেশের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান
রাজধানীর বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস
এপ্রিলে ভারত থেকে আসছে ২৫ হাজার টন ডিজেল