২০২৭ সাল থেকে স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি চূড়ান্তভাবে বন্ধ এবং ভর্তি কার্যক্রম সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আগামী বছর থেকে ভর্তিতে লটারি পুরোপুরি তুলে দেওয়া হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষা হবে সহজ ও সাধারণ পদ্ধতিতে। এখানে কোনো ধরনের প্রতিযোগিতা থাকবে না। লটারি কোনো শিক্ষাব্যবস্থায় থাকার উপযোগী নয়। বহু দিনের গবেষণার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ইতোমধ্যেই করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে লটারি অনেকটাই জুয়া খেলার মতো। ভর্তি পরীক্ষাকে কেউ যদি বাণিজ্যের মাধ্যমে ব্যবহার করতে চায়, সরকার তা সহ্য করবে না। শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য সরকার ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা করবে।”
মন্ত্রী বলেন, “সরকার ভর্তি পরীক্ষার উপর নির্ভর করছে, এমনটি মোটেও নয়। বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হবে। বৃত্তি পেলে যে অর্থ দেওয়া হয়, তা গরিব পরিবারের জন্য সহায়তা হিসেবে কাজ করে। বৃত্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছামূলক; যারা দিতে চায় না, তারা অংশগ্রহণ করবে না।”
এর আগে, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রথমে লটারি পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল। ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। পরের বছর বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতেও একই পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়। যদিও তখন দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে হত।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতেই লটারি পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। এরপর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত লটারি প্রথা চালু থাকে।
এনএনবাংলা/পিএইচ


আরও পড়ুন
ঢাবির নতুন ভিসি অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম
আমাদের দলের কাজ হলো মানুষের উপকার করা: তারেক রহমান
যুবদল নেতাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা