যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে প্রায় দুই হাজারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। এসব হামলার মূল লক্ষ্য ছিল দেশটির পরিবহন ব্যবস্থা ও জ্বালানি অবকাঠামো।
সোমবার দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটে একটি ড্রোন হামলার পর আগুন ধরে গেলে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। একই হামলায় ফুজাইরাহ বন্দরের একটি বড় তেল সংরক্ষণ কেন্দ্রেও আগুন লাগে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
এদিকে, রাজধানী আবুধাবির উপকণ্ঠে একটি গাড়িতে রকেট হামলার ঘটনায় একজন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে শহরটির মিডিয়া অফিস নিশ্চিত করেছে।
ইরানের পাল্টা হামলা শুরুর পর থেকে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে, যার ফলে বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিলম্ব ও বিঘ্ন দেখা দিয়েছে।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে দুবাইয়ের একটি বিলাসবহুল হোটেলেও হামলার ঘটনা ঘটে।
বিবিসির এক সংবাদদাতা একটি পডকাস্টে জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাত মনে করছে তাকে অন্যায়ভাবে এই সংঘাতে জড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “ইরান হয়তো ধারণা করছে এই চাপের ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর যুদ্ধ বন্ধের জন্য চাপ সৃষ্টি করবেন। তবে বাস্তবে এখানকার কর্মকর্তারা এ ঘটনায় বেশ ক্ষুব্ধ।”
এনএনবাংলা/পিএইচ


আরও পড়ুন
আকাশপথে ঈদযাত্রা: সৈয়দপুর-রাজশাহী রুটে টিকিট সংকট, ঈদের পর কক্সবাজারে যাত্রী ঢল
অভিনেতা শামস সুমন আর নেই
পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী