Monday, April 6th, 2026, 7:23 pm

সরকারের প্রথম একনেক সভায় ৪৮৩.৪৩ কোটি টাকার পাঁচ প্রকল্প অনুমোদন

 

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় মোট ৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি সংশোধিত এবং দুটি মেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রকল্প রয়েছে।

অনুমোদিত মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৯০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ হিসেবে ৯২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ের কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এর একটি হলো ‘সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২ (GSIDP-2) (১ম সংশোধন)’ এবং অন্যটি ‘চর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট প্রজেক্ট-৪ (সিডিএসপি-৪) (৩য় সংশোধন)’।

এছাড়া ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্পটিও সভায় অনুমোদন পায়।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এর একটি হলো ‘শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়ন (কম্পোনেন্ট-২): দেশের ৮টি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক ইমেজিং ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্প। অন্যটি হলো ‘গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্প।

এই একনেক সভায় মোট ১৯টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং বাকি ১৪টি প্রকল্প নিয়ে আগামী সভায় আলোচনা করা হবে।

সরকারের প্রথম একনেক সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

এনএনবাংলা/পিএইচ