প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের সময় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা দেশের জনগণকে আশান্বিত করেছে।
রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় ঢাকা সেনানিবাসে কর্মরত জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপট এবং বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তাদের কর্তব্য পালন করেছে। ভবিষ্যতের নির্বাচনসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে বাহিনীর ভূমিকা আরও স্বচ্ছ ও পেশাদার হওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও সক্ষম করে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র বাহিনী থাকলে বাংলাদেশকে কোনো শক্তিই পরাজিত করতে পারবে না।
তারেক রহমান আরও বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময় নানা ঘটনা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ওই ঘটনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলা হয়েছিল। পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে।
সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময় থেকেই সেনাবাহিনীর মধ্যে দেশপ্রেম ও দৃঢ় মনোবল গড়ে উঠেছিল, যা ভবিষ্যতেও ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাঁর মতে, একটি ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী থাকলে বাংলাদেশকে কখনো পরাজিত করা সম্ভব নয়।
এনএনবাংলা/পিএইচ


আরও পড়ুন
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার সময় ইউএফসি ফাইট দেখছিলেন ট্রাম্প!
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করার চিন্তা সরকারের