অনলাইন ডেস্ক :
আবারও চেরাগ জানির অলরাউন্ড নৈপুণ্যে জিতলো লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতিকে তারা হারিয়েছে ২ উইকেটের ব্যবধানে। তবে খেলাঘরকে ১৯৮ রানে অলআউট করতে বড় অবদান ছিল আবার মাশরাফি বিন মুর্তজার। নিয়েছেন ৪ উইকেট। সাধারণ লক্ষ্যে খেলতে নেমে রূপগঞ্জ ৪৯.৩ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়েই ম্যাচ জিতে নিয়েছে। অবশ্য এই সাধারণ লক্ষ্যে খেলতে নেমেও জয় পেতে ভীষণ বেগ পেতে হয়েছে রূপগঞ্জকে। ১৫ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন ইরফান শুক্কুর ও সাব্বির হোসেন। তার পর চেরাগের ব্যাটেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা। নাঈম ইসলামের সঙ্গে ৯০ রানের জুটি গড়েন এই ভারতীয় ব্যাটার। তাতে টানা তিন ম্যাচে দেখা পেলেন পঞ্চাশ ছাড়ানো ইনিংস। শেষ পর্যন্ত ৭৮ বলে ৭ চার ও ২ ছয়ে ৭২ রানে শিকার হন সালমান হোসেন ইমনের। এক পর্যায়ে ২ উইকেটে ১০৫ রান করা রুপগঞ্জের স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১১১! চেরাগের বিদায়ের পর দ্রুত নাঈম (২৪) ও সাব্বির রহমানও ফিরে গেছেন। পরে বিপদ সামাল দেন রকিবুল হাসান নয়ন ও তানবীর হায়দার। দুজন ৪৫ রানের জুটি গড়েছেন। রকিবুল ১৪ রানে ফিরলে ভেঙে যায় এই জুটি। তার পর মাশরাফিও জয় থেকে ২১ রান দূরে থাকতে ১২ রান করে ফিরেছেন। ৪৮তম ওভারে আসিফ হাসান ছয় মারার দুই বল পর ক্যাচ আউট হলে কিছুটা নড়বড়ে পরিস্থিতির তৈরি হয়েছিল। কিন্তু জয়ের সম্ভাবনা ধরে রাখেন ৬০ বলে হাফসেঞ্চুরি করা তানবীর। শেষ ওভারে দরকার ছিল ৩ রান, হাতে ছিল ২ উইকেট। তখন তিন বল খেলেই কাক্সিক্ষত জয় তুলে নেয় রূপগঞ্জ। খেলাঘরের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন সালমান, দুটি নেন মাসুম খান। এর আগে ৪ উইকেট নিয়ে খেলাঘরকে একাই ধসিয়ে দেন মাশরাফি। ৮ ওভারে ৩৮ রানে লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারে এটি তার ১৫তম চার উইকেট শিকার। আগে ব্যাট করতে নামা খেলাঘর অলআউট হয়ে গেছে ১৯৮ রানে। পেসার চেরাগ জানিও ৫১ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। এ ছাড়া নাঈম ইসলাম, নাবিল সামাদ ও আল আমিন নিয়েছেন একটি করে উইকেট। টানা ৪ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম রাউন্ড শেষে চতুর্থ স্থানে রয়েছে রূপগঞ্জ।

আরও পড়ুন
তামিমকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলায় বিসিবি পরিচালকের মন্তব্যে ক্রিকেটারদের ক্ষোভ
প্রথম বোলার হিসেবে বিপিএলে দুবার হ্যাটট্রিক মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর
মুস্তাফিজের পেশাদারিত্বে মুগ্ধ মিকি আর্থার: ‘অসাধারণ খেলছে, অসম্ভব বিনয়ী’