February 24, 2026
Monday, November 3rd, 2025, 7:09 pm

ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স চেয়েছে ১২ প্রতিষ্ঠান

প্রতীকী ছবি

 

বাংলাদেশে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে লাইসেন্সের আবেদন করেছে। সোমবার (৩ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স চাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক (প্রস্তাবিত), অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারি ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ, এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুযোগ কাজে লাগিয়ে আর্থিক খাতে উদ্ভাবন ও কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ডিজিটাল ব্যাংক চালু করা হচ্ছে। এসব ব্যাংকের কোনো শাখা, উপশাখা বা এটিএম বুথের প্রয়োজন হবে না; সব লেনদেন ও সেবা পরিচালিত হবে মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সহজ করা, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংক নীতিমালা প্রণয়ন করে। তখন মূলধনের পরিমাণ ছিল ১২৫ কোটি টাকা, যা পরবর্তীতে বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করা হয়। প্রচলিত ব্যাংকের ক্ষেত্রে ন্যূনতম মূলধন ৫০০ কোটি টাকা নির্ধারিত আছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হবে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ অনুসারে, এবং পেমেন্ট সার্ভিস পরিচালিত হবে বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশন, ২০১৪ অনুযায়ী।

এর আগে ২৬ আগস্ট ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের আবেদন আহ্বান করা হয়। প্রথমে আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখ ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর, পরে তা বাড়িয়ে ২ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত করা হয়, যাতে আবেদনকারীরা পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব ও প্রয়োজনীয় দলিলপত্র জমা দিতে পারেন।

এনএনবাংলা/