রাজধানীর পল্টন মোড়ে আট দলীয় জোটের গণসমাবেশ শুরু হয়েছে পাঁচ দফা দাবিতে। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে—জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও নভেম্বরের মধ্যেই তার ওপর গণভোট আয়োজন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতি চালু, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, ‘ফ্যাসিস্ট’ সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং ‘স্বৈরাচারের দোসর’ জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ২টায় কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সমাবেশের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। তিলাওয়াত শেষে মহানগর শিল্পীগোষ্ঠী সংগীত পরিবেশন করে। পল্টন মোড়ে পাশাপাশি তিনটি পিকআপ ভ্যান জোড়া দিয়ে তৈরি করা হয়েছে মঞ্চ, যেখানে সমাবেশের সঞ্চালনার দায়িত্বে রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
দুপুর ১২টার পর থেকেই রাজধানী ও আশপাশের এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পল্টন এলাকা ভরে ওঠে জনসমুদ্রে। এতে আশপাশের সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। গুলিস্তানে অফিসগামী এক কর্মজীবী, হানিফ মাহমুদ, ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—“অফিস-আদালত খোলা দিনে এমন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বড় সমাবেশের আয়োজন কাম্য নয়। এ ধরনের অনুষ্ঠান উন্মুক্ত খোলা জায়গায় হওয়াই উচিত।”
সমাবেশে উপস্থিত রয়েছেন আট দলের শীর্ষ নেতারা। তাদের মধ্যে আছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাও. সরওয়ার কামাল আজিজী, জাগপার সিনিয়র সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁন।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
ইসির অনুরোধে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত: মির্জা ফখরুল
ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ সহজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান বাংলাদেশের
বিহারের আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বাংলাদেশি ৪ সাংবাদিক