Tuesday, November 11th, 2025, 5:18 pm

সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও স্ত্রীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে ৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা

 

ভুয়া ও অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক ঋণ অনুমোদন করে প্রায় ৩১ কোটি ৬৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামী চৌধুরী, তার স্ত্রী এবং ইউসিবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমিলা জামানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে চারটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার চট্টগ্রামের দুদক কার্যালয়ে এসব মামলা দায়ের করা হয়। দুদকের উপপরিচালক মশিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার মূল আসামিরা হলেন: সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামী চৌধুরী, তার স্ত্রী রুকমিলা জামান, ইউসিবিএল ও ইউসিবি পিএলসির এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য ও সাবেক পরিচালক বশির আহমেদ, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামী চৌধুরী, এভিপি ও অপারেশন ম্যানেজার মো. আব্দুল আউয়াল, এক্সিকিউটিভ অফিসার মো. আবু বকর খান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার জামাল উদ্দিন, এভিপি জিয়াউল করিম খান এবং একই শাখার ভিপি ও শাখা প্রধান মো. জাহিদ হায়দার।

এছাড়া আরামিট পিএলসি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী মডেল ট্রেডিং-এর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ মিছাবাহুল আলম, ক্লাসিক ট্রেডিং-এর স্বত্বাধিকারী ও এজিএম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আলোক ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, বি অ্যান্ড বি ইলেকট্রনিক্সের কর্মচারী মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এবং দিদারুল আলমকেও আসামি করা হয়েছে।

এছাড়া ইউসিবিএল ও ইউসিবি পিএলসির এক্সিকিউটিভ কমিটির আরও কয়েকজন সাবেক পরিচালক—বজল আহমেদ বাবুল (সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান), এম এ সবুর, ইউনুছ আহমদ, নুরুল ইসলাম চৌধুরী ও আসিফুজ্জামীর নামও মামলার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে, বি অ্যান্ড বি ইলেকট্রনিক্সের কর্মচারী মোস্তাফিজুর রহমান ও সিন্ডিকেট সদস্য মো. আবুল কালামের সহায়তায়, গ্রামের সাধারণ কৃষক ও খণ্ডকালীন শ্রমিকদের—নুরুল বশর, মোহাম্মদ আয়ুব, মো. ইউনুছ ও মো. ফরিদুল আলমের—ব্যক্তিগত তথ্য (জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি) সংগ্রহ করেছেন এবং তা ব্যবহার করে ঋণ অনুমোদন করিয়েছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে এসব ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক হিসাব খোলা হয় এবং অনুমোদিত ঋণের ৩১ কোটি ৬৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়।

এনএনবাংলা/