জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্বে এলে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ককে ‘সমমর্যাদার ভিত্তিতে’ পুনর্গঠন ও ভারতের ‘দাদাগিরি’ বন্ধ করাকে অগ্রাধিকার দেবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা নদীর ওপর নির্মিত রাবার ড্যাম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার যুদ্ধে ভারত আমাদের সহায়তা করেছিল। সেই সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আরও বেশি করে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করা উচিত ছিল। কিন্তু গত সরকার ও মোদি সরকারের সময়ে আমরা দেখেছি—উল্টো ভারত বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে; যা চেয়েছে নিয়ে গেছে, কিন্তু বিনিময়ে কিছু দেয়নি। এটি ছিল আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা সরকারের ব্যর্থতা।
তিনি আরও বলেন, আমরা ১০০ শতাংশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—দেশের স্বার্থই আমাদের রাজনীতি। সীমান্ত হত্যা, পানি বণ্টন, বাণিজ্য ঘাটতি—এসব বিষয়ে বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আপনারা তাদের মন্ত্রীদের বক্তব্য শুনেছেন—ভারতে গিয়ে স্বামী–স্ত্রী সম্পর্কের উদাহরণ টেনে দেন-দরবার করেন। এভাবে তারা পুরো বিষয়কে নিচে নামিয়ে দিয়েছে। আমাদের ‘ইক্যুয়াল ফুটিং’-এ কথা বলার মানসিকতা থাকতে হবে, সমমর্যাদায় সম্পর্ক গড়তে হবে।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
ইসির অনুরোধে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত: মির্জা ফখরুল
ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ সহজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান বাংলাদেশের
বিহারের আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বাংলাদেশি ৪ সাংবাদিক