মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন ৯৯ রানে অপরাজিত থেকে এক রানের অপেক্ষা নিয়ে দিন শেষ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের হয়ে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে নামা এই অভিজ্ঞ ব্যাটার সেই বিশেষ ম্যাচটিকে আরও স্মরণীয় করে তুললেন সেঞ্চুরি দিয়ে। শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে তিনি গর্ডন গ্রিনিজ, জাভেদ মিঁয়াদাদ, ইনজামাম-উল-হক ও গ্রায়েম স্মিথদের সঙ্গে নাম লেখালেন।
বৃহস্পতিবার সকালে মুশফিক আগেরদিনের সঙ্গী লিটন দাসকে সাথে নিয়ে ক্রিজে নামেন। ম্যাথু হাম্প্রিসের করা প্রথম ওভারটি সতর্কতার সঙ্গে খেলেন তিনি। এরপর জর্ডান নিলের পরের ওভারে লিটনের সিঙ্গেলে স্ট্রাইক পান মুশফিক। তৃতীয় বলটি স্কয়ার লেগে ঠেলে ব্যক্তিগত শতক পূর্ণ করেই দু’হাত প্রসারিত করে উদযাপন করেন এবং কৃতজ্ঞতা জানান সৃষ্টিকর্তাকে।
বিশ্ব ক্রিকেটে এটি মাত্র ১২তম ঘটনা—শততম টেস্টে কোনো ব্যাটারের সেঞ্চুরি। মুশফিক নিজেই এই ল্যান্ডমার্ক স্পর্শ করা ১১তম ক্রিকেটার। রিকি পন্টিং একমাত্র ব্যাটার, যিনি শততম টেস্টে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেছিলেন। সাম্প্রতিকদের মধ্যে জো রুট ও ডেভিড ওয়ার্নার এই ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছিলেন।
মুশফিক এই সেঞ্চুরির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের হয়ে মুমিনুল হকের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ১৩টি টেস্ট সেঞ্চুরির মালিক হলেন। তবে ল্যান্ডমার্ক ইনিংসটি বড় করতে পারেননি; হাম্প্রিসের হালকা বাউন্স ও টার্নে স্লিপে অ্যান্ডি বালবার্নির হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে থামেন ২১৪ বলে ১০৬ রানে। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৫টি चौকের মাধ্যমে। মুশফিকের বিদায়ের সঙ্গে ভাঙে লিটনের সঙ্গে গড়া ১০৮ রানের মূল্যবান জুটি, এবং দল ৩১০ রানে পঞ্চম উইকেট হারায়।
সতীর্থের বিদায়ের পরের বলেই লিটন দাস চার মেরে পূর্ণ করেন তার ২০তম টেস্ট ফিফটি। এসময় তার সঙ্গে ক্রিজে ছিলেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। আগেরদিন বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ২৯২ রানে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিল।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু মতবিভেদ নয়: তারেক রহমান
১৬ মাসে সবচেয়ে বেশি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছি: আসিফ নজরুল
ইরানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ তুঙ্গে, নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়ালো