সাম্প্রতিক
সংগ্রাম, ত্যাগ ও মানুষের ভালোবাসায় অমর এক জীবন ধানমন্ডি ৩২-এ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ভিডিও ধারণ ও শিঙাড়া বিলির অভিযোগে মারধর, আটক ২ হরমুজ প্রণালিকে শিগগিরই মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করা হবে: ট্রাম্প রাজধানীর কোনো সিএনজি ফিলিং স্টেশনে নেই গ্যাস, চালকদের ভোগান্তি হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু ৯০০ ছাড়াল নারায়ণগঞ্জে মাদক কারবারিদের সঙ্গে গোলাগুলি, পুলিশসহ আহত ৪ বিশ্বজুড়ে চীনা গাড়ির চাহিদা তুঙ্গে, অথচ নিজ দেশেই কমছে বিক্রি নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নত হলে বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার গ্যাসের সংকট ‘কয়েক দিনের মধ্যে অনেকাংশে’ কমে আসবে: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

যুক্তরাষ্ট্রে ১৯ দেশের অভিবাসন স্থগিত, বাংলাদেশের নাম নেই

 

যুক্তরাষ্ট্রে ১৯টি দেশের অভিবাসীদের গ্রিন কার্ড, নাগরিকত্ব ও সব ধরনের আবেদন স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। আফগানিস্তান, মিয়ানমার, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, ইয়েমেনসহ তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের ওপর নতুন অভিবাসন বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশের নাম এই তালিকায় নেই।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এই দেশগুলো সবই ইউরোপের বাইরে অবস্থিত। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার উদ্বেগের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত জুনে আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলোর নাগরিকরা নতুন নীতিমালার প্রভাবে আরও কঠোর পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

নতুন নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় আফগান বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই হামলায় একজন গার্ড নিহত এবং আরেকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া সোমালি অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কঠোর মন্তব্যও আলোচনায় এসেছে। তিনি তাদের ‘আবর্জনা’ উল্লেখ করে বলেছেন, ‘আমরা তাদের আমাদের দেশে চাই না।’

তালিকাভুক্ত দেশগুলো হলো– আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, ইয়েমেন, বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।

স্মারকে আরও বলা হয়েছে, সব প্রক্রিয়াধীন আবেদন স্থগিত থাকবে এবং অভিবাসীদের সম্ভাব্য সাক্ষাৎকার বা পুনঃসাক্ষাৎকারের মধ্য দিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা ঝুঁকি যাচাই করা হবে।

এদিকে, নিউইয়র্ক সিটির আটজন অভিবাসনবিষয়ক বিচারককে একসঙ্গে চাকরিচ্যুত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এদের মধ্যে আমিয়েনা এ খান ছিলেন চিফ ইমিগ্রেশন বিচারক। দেশব্যাপী ইমিগ্রেশন বেঞ্চের সংস্কারের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এনএনবাংলা/