মুক্তিযুদ্ধের বীর সন্তান মোঃ আইয়ুব আলী মৃত্যুবরণ করায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে গার্ড অব অনার প্রদান শেষে মিনাজপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে জীবননগর উপজেলার মিনাজপুর গ্রামে মরহুমের জানাজা ও রাষ্ট্রীয় সালামি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রীয় এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে জীবননগর উপজেলার প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা। এছাড়া জীবননগর থানা পুলিশের পক্ষে গার্ড অব অনার প্রদান কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করেন ওসি (অপারেশন) ইন্সপেক্টর মোঃ আতিয়ার রহমান।
অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা কমিউনিটির নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ দলিল উদ্দিন, আহবায়ক—মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোর্তুজা, বীর মুক্তিযোদ্ধা উম্বত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুজ্জাত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিনসহ আরও অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
কর্মকর্তা এবং মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও ৩ নং বাঁকা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজসেবী, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হন।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সালামি প্রদান শেষে শোকাভিভূত পরিবেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আইয়ুব আলীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে গার্ড অব অনারের সম্মান জানিয়ে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
স্থানীয় প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা কমিউনিটি এবং জীবননগরবাসী সর্বসম্মতিক্রমে জানান—
“জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব আলীর প্রতি এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জাতির পক্ষ থেকে চিরঋণের একটি ক্ষুদ্র প্রকাশ মাত্র। তাঁর অবদান প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
মরহুমের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান উপস্থিত সবাই।

আরও পড়ুন
ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ সহজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান বাংলাদেশের
বিহারের আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বাংলাদেশি ৪ সাংবাদিক
হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন বিএনপি প্রার্থীর