বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামী ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পর, তাঁর মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে পদত্যাগের পরিকল্পনা করছেন। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) তিনি হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
৭৫ বছর বয়সী রাষ্ট্রপতি বলেন, “আমি চলে যেতে আগ্রহী। আমি বাইরে যেতে আগ্রহী। তবে নির্বাচনের আগে আমার দায়িত্ব পালন করা উচিত।” তিনি আরও যোগ করেন, সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি পদে থাকার কারণে তার অবস্থান এখনও অক্ষুণ্ণ।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বলেছেন, ড. ইউনূস প্রায় সাত মাস ধরে তার সঙ্গে দেখা করেননি এবং বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলো থেকে তার প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এই কারণে তিনি ‘অপমানিত বোধ’ করছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে সাহাবুদ্দিন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হলেও মূল নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে। বাংলাদেশে ১৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষের ক্ষমতা মূলত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার হাতে কেন্দ্রীভূত।
২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের কারণে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করতে বাধ্য হলে সংসদ ভেঙে দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতিই শেষ সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০২৩ সালে সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
ইসির অনুরোধে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত: মির্জা ফখরুল
যুদ্ধবিমান ইস্যুতে বাংলাদেশ–পাকিস্তান আলোচনা, নজর রাখছে ভারত
বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান