বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশ রোধে ভারত সরকার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া জোরদার করেছে। পাকিস্তান সীমান্তের প্রায় ৯৩ শতাংশ এবং বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকায় ইতোমধ্যে এই বেড়া স্থাপন করা হয়েছে। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায়।
ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সীমান্তের দৈর্ঘ্য ২ হাজার ২৮৯ দশমিক ৬৬ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত ৪ হাজার ৯৬ দশমিক ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
লোকসভায় দেওয়া বক্তব্যে নিত্যানন্দ রায় বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পাকিস্তান সীমান্তের ২ হাজার ১৩৫ দশমিক ১৩৬ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসানো হয়েছে, যা মোট সীমান্তের ৯৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। একইভাবে বাংলাদেশ সীমান্তের ৩ হাজার ২৩৯ দশমিক ৯২ কিলোমিটার এলাকায় বেড়া স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে, যা শতকরা ৭৯ দশমিক ০৮ শতাংশ।
তিনি আরও জানান, ভারতের সঙ্গে মিয়ানমারের ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থল সীমান্তেও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ৯ দশমিক ২১৪ কিলোমিটার এলাকায় বেড়া বসানোর কাজ শেষ হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, চীন ও মালদ্বীপ—এই আটটি দেশের সঙ্গে স্থল ও জলসীমান্ত রয়েছে। এসব স্থল ও জলসীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ১৫ হাজার ১০৬ দশমিক ৭ কিলোমিটার এবং ৭ হাজার ৫১৬ কিলোমিটার। স্থল সীমান্তের দিক থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্তই সবচেয়ে দীর্ঘ।
লোকসভা অধিবেশনে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও কড়াকড়ি ব্যবস্থা আরও জোরদার করছে কেন্দ্রীয় সরকার।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের ‘বি১ ভিসা বন্ড’ শর্তাবলি পুনর্বিবেচনার আহ্বান খলিলুর রহমানের
ঢাবির আওয়ামীপন্থি ৪ শিক্ষক ‘স্থায়ী বহিষ্কার’ হচ্ছেন
মিরপুর রোডে তিতাসের প্রধান ভালভ ফেটে গ্যাস সংকট, ভোগান্তি দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা