February 26, 2026
Thursday, January 1st, 2026, 2:34 pm

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সবার জন্য উন্মুক্ত

 

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সর্বসাধারণের প্রবেশের জন্য এ সমাধিস্থল উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।খবর(বাসস)

সাধারণ মানুষসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের অনেকে খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকে ওই এলাকায় ভিড় করেন। উদ্যান বন্ধ থাকায় বিজয় স্মরণি মোড়ে প্রবেশ মুখে ব্যারিকেডে অপেক্ষায় থাকেন অনেকে। সমাধিস্থলে যেতে না পেরে অনেকে সড়কে দাঁড়িয়ে দোয়া করেন।

সকালে বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। তিনি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার জন্যে মোনাজাত করেন।

এ সময়  জনগণের জানমালের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে খালেদা জিয়া আপসহীন ছিলেন জানিয়ে বাবর বলেন, যখন আমি যা চেয়েছি উনি আমাকে তাই দিয়েছেন। র‌্যাবকে রাজনৈতিকভাবে একদিনের জন্য বা এক ঘণ্টার জন্যও আমরা ব্যবহার করিনি। এটা কেউ বলতে পারবে না, প্রমাণ দেখাতে পারবে না।

তিনি বলেন, অন্যায় করলে বিএনপি নেতাকর্মীদেরও ছাড় দেওয়া হতো না। এমন নেত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। নেত্রীর সঙ্গে আমি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি। উনার দেশপ্রেম দেখেছি। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে উনি কোনো আপস করেননি।

জানা যায়, সংস্কার কাজ চলমান থাকায় বন্ধ রাখা হয় ভেতরে প্রবেশ। এখন তা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। পুরো উদ্যানের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে অন্য বাহিনীর সদস্যরাও।

গতকাল বুধবার বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব আবদুল মালেকের ইমামতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকেল পৌনে ৫টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাঁকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।

গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া মারা যান।

উল্লেখ্য, গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসের সংক্রমণজনিত শ্বাসকষ্ট নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীকালে নিউমোনিয়া দেখা দেয় এবং কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ পুরোনো জটিলতা আরও বেড়ে যায়। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়, যেখানে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এনএনবাংলা/পিএইচ