Skip to content

Upcoming
Curaçao
0-0
Ivory Coast
Source: ESPN

ইসিতে আপিল তাসনিম জারার, আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

 

ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা তার মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন। একই সঙ্গে ভোটের মাঠে থাকার লক্ষ্যে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী আপিল আবেদন বুথে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আপিল দায়ের করেন। এদিন বিকেল ৫টা ৭ মিনিট পর্যন্ত মোট ৩৯টি আপিল জমা পড়েছে বলে জানিয়েছে ইসি সূত্র।

আপিল করার পর ডা. তাসনিম জারা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলাম, কিন্তু তা গ্রহণ করা হয়নি। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করেছি। মাত্র দেড়দিনের মধ্যে পাঁচ হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমার জন্য সই দিয়েছেন এবং ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। অনেকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে বুথে দায়িত্ব নিয়েছেন। তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার সমর্থকরা চান আমি যেন ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারি। সে কারণেই আপিল করেছি এবং শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াই চালিয়ে যাবো।’

ডা. জারার আইনজীবী আরমান হোসেন জানান, ‘আরপিও ও নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা অনুযায়ী আমরা আজ আপিল করেছি। আইনি প্রক্রিয়ায় আমরা আশাবাদী যে এ আপিল আমাদের অনুকূলে যাবে। জনগণের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাবেন জারা।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা অনুযায়ী আমরা ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিয়েছি, যা শতভাগ সঠিক। যেসময়ে আমরা ভোটার তালিকা সংগ্রহ করেছি, তখন ইসির ওয়েবসাইট কাজ করছিল না। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ঢাকা-৯ আসনের ভোটার কি না। তবে যাদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রে ভোটার এলাকা হিসেবে ঢাকা-৯ আসনই উল্লেখ ছিল।’

উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে মোট ভোটারের ১ শতাংশ স্বাক্ষর জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে যাচাই করা ১০ জন ভোটারের মধ্যে দুজনের তথ্যে গড়মিল পাওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল ২৯ ডিসেম্বর। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল গ্রহণ করা হবে এবং ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল নিষ্পত্তি হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

এনএনবাংলা/