Monday, January 5th, 2026, 7:44 pm

কালকিনিতে জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরনে অনিয়মের অভিযোগ!

Oplus_131072

কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধিঃ

মাদারীপুরের কালকিনিতে দরিদ্র জেলেদের মাঝে মৎস্য  অফিস কর্তৃক বকনা বাছুর বিতরণে ফকাস এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার আসাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিতরনকৃত প্রতি বকনা বাছুর ৬০ কেজির উপরে ওজন থাকার কথা থাকলেও তা কম ওজন আনায় ১৩টি বকনা বাছুর ফেরত পাঠিয়েছে প্রশাসন। এ ঘটনায় ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জেলেরা। অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, ২০২৫-২৬অর্থবছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় বিকল্প জীবিকার্জনের জন্য নিবন্ধিত উপজেলার ৬০ জন দরিদ্র জেলের জন্য ৬০টি বকনা বাছুর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ফকাস এন্টারপ্রাইজের পরিচালক আসাদের মাধ্যমে প্রদান করেন উপজেলা মৎস্য অফিস কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি বাছুরের মূল্য ধরা হয়েছে ২৭ হাজার ৮০০ টাকা। সোমবার (৫ জানুয়া‌র‌ি)সকা‌লে কাল‌কি‌নি উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাছুর প্রদান অনু্ষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা মৎস্য অ‌ফিস। কিন্তু প্রতিটি বাছুরের ওজন থাকার কথা ছিল ৬০ কেজির উপরে। কিন্তু ঠিকাদার দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ৬০টি বাছুরের মধ্যে অল্প দামে ৬০ কেজির নিচে ১৩ বাছুর সংগ্রহ করেন। এ বাছুর বিতরনকালে প্রশাসন পরিমাপ করে দেখেন ৬০টির মধ্যে ১৩টি বাছুরের ওজন ৬০ কেজির নিচে আছে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ উল আরেফিনের নির্দেশে ওই ১৩টি বাছুর ঠিকাদারের কাছে ফেরত পাঠানো হয়। এদিকে বাকি ১৩ জন জেলে বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মৎস্য অফিস ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এ বাছুর বিতরন অনু্ষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ উল আরাফীনের সভাপ‌তি‌ত্বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন জেলা মৎস‌্য কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সরকার,সি‌নিয়র উপ‌জেলা মৎস‌্য অ‌ফিসার পলাশ হালদার ও সহকা‌রি উপজেলা মৎস্য অ‌ফিসার প্রনব কুমার দাশসহ অন‌্যা‌ন‌্য কর্মকর্তা বৃন্দ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন জেলে জানান, মৎস্য অফিসারের যোগসাজসে ঠিকাদার অল্পদামে ৬০টি বাছুরের মধ্যে ১৩টি বাছুর কিনে এনেছে। ঠিকাদারের এই অনিয়ম ধরার পরায় ওই বাছুর ফেরত পাঠানো হয়েছে। ঠিকাদার মোঃ আসাদ জানান, বাছুর ফেরত দেয়া হয়েছে। আমার কিছু করার নাই।এ বিষয় উপ‌জেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস‌্য কর্মকর্তা প্রনব কুমার জানান, অনিয়মের কারনে বাছুর ফেরত পাঠানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ উল আরেফিন বলেন, বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যকার্জনের জন্য জেলেদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে বকনা বাছুর গরু প্রদান করা হয়েছে।   নিষিদ্ধ সময়ে জেলেরা যেন মাছ ধরা থেকে বিরত থাকেন। আর ওজন কম দেয়া ১৩টি গরু ঠিকাদের কাছে ফেরত পাঠানো হয়েছে। পরে সে ৬০ কেজির ওজনের বাছুর কিনে দিবেন।