Saturday, January 10th, 2026, 12:04 am

যুদ্ধবিমান ইস্যুতে বাংলাদেশ–পাকিস্তান আলোচনা, নজর রাখছে ভারত

ছবি: সংগৃহীত

 

জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান সম্ভাব্য ক্রয় নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান আলোচনাকে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে মনে করছে ভারত। বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খান-এর সাম্প্রতিক ইসলামাবাদ সফর এবং সেখানে যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে জয়সওয়াল বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে—এমন সব পরিস্থিতির ওপর আমরা গভীর নজর রাখছি।”

ঢাকা ও করাচির মধ্যে ২৯ জানুয়ারি থেকে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত এবং ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঢাকাকে নয়াদিল্লির অনুমতি নিতে হবে কিনা—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, “এ ধরনের বিষয় বাংলাদেশ সঙ্গে বিদ্যমান এয়ার সার্ভিসেস চুক্তি অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।”

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার বিষয়ে ভারতের অবস্থান তুলে ধরে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদীদের দ্বারা সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বারবার হামলার একটি ‘উদ্বেগজনক ধারাবাহিকতা’ ভারত লক্ষ্য করছে।
তার ভাষায়, “এ ধরনের সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলো দ্রুত ও কঠোরভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, ভারত লক্ষ্য করেছে— “এ ধরনের ঘটনাগুলোকে ব্যক্তিগত শত্রুতা, ব্যক্তিগত প্রতিশোধ, রাজনৈতিক মতপার্থক্য কিংবা অন্যান্য বাহ্যিক কারণে দায়ী করার একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা রয়েছে।”

জয়সওয়ালের মতে, “এ ধরনের অবহেলা উগ্রবাদী ও অপরাধীদের আরও সাহসী করে তোলে এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি আরও গভীর করে।”

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের অনুপস্থিতি এবং নির্বাচনের ‘অংশগ্রহণমূলক না হওয়া’ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারত বরাবরের মতোই অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে আসছে।

রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের সমর্থন ও আহ্বান অব্যাহত রেখেছে, যাতে একটি বিশ্বাসযোগ্য জনমত বা ম্যান্ডেট প্রতিষ্ঠিত হয়।”

এনএনবাংলা/