যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় নৌবহর পাঠানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমাদের অনেক জাহাজ ওই দিকেই যাচ্ছে, শুধু সতর্কতার জন্য। এখন দেখা যাক কী হয়।”
ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে। তিনি দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম শেষে এয়ারফোর্স ওয়ানে ফিরে সাংবাদিকদের জানান, “আমরা ইরানের দিকে নজর রাখছি। আমি চাই না কিছু ঘটুক, কিন্তু আমরা তাদের খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি।”
যুক্তরাষ্ট্রের এই নৌ সামরিক প্রস্তুতি এমন এক সময়ে প্রকাশ্যে এল, যখন ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপের হুমকি থেকে কিছুটা সরে এসেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরান সরকার বিক্ষোভকারীদের কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করবে না—এমন আশ্বাস পাওয়ার পর তিনি অবস্থান নরম করেন।
তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি এখনও অব্যাহত। মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরি এবং তার সঙ্গে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলোকে দক্ষিণ চীন সাগরে চলমান মহড়ার মাঝপথে ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, তার শক্ত অবস্থানের কারণে ইরান সরকার ৮০০-এর বেশি বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া থেকে বিরত থাকে। একই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতেও তিনি প্রস্তুত।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
ফিতা সবাই কাটে, আমি কাটলেই বলে, ফিতা কাটা নায়িকা: অপু বিশ্বাস
জামায়াত প্রার্থী ডা.খালিদুজ্জামানের ডিগ্রি নিয়ে যা বললেন তাঁর শিক্ষক ডা. মৃণাল কুমার
জামায়াতসহ ১০ দলীয় জোটের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী কে?