রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের জয় ছিল কেবল সময়ের অপেক্ষা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত যেন শুধু উদযাপনের ক্ষণ গুনছিলেন। অবশেষে ১৮তম ওভারের পঞ্চম বলে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ডিপ মিড উইকেটে এস এম মেহেরব ক্যাচ ধরতেই উল্লাসে ভাসে রাজশাহী শিবির। চট্টগ্রাম রয়্যালসকে উড়িয়ে দিয়ে ২০২৬ বিপিএলের শিরোপা জিতে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
ফাইনালে উত্তাপহীন আবহ, একপেশে লড়াই
২০২৬ বিপিএল ফাইনালের আগে বড় কোনো উত্তাপ ছিল না বললেই চলে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনার তোড়ে বিপিএল অনেকটাই আড়ালে পড়ে যায়। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল ঘিরে যে রোমাঞ্চ প্রত্যাশা করেছিলেন দর্শকেরা, তার ছিটেফোঁটাও দেখা যায়নি।
তিন বিভাগেই চট্টগ্রামকে নাস্তানাবুদ রাজশাহী
ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই চট্টগ্রাম রয়্যালসকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে দেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। একপেশে এই ফাইনালে ৬৩ রানের বড় জয়ে শিরোপা নিজেদের ঘরে তোলে শান্তর দল।
টস হেরে ব্যাটিং, ২০ ওভারে ১৭৪ রান রাজশাহীর
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭৪ রান তোলে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবালের পর তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে বিপিএল ফাইনালে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন তানজিদ হাসান তামিম। ৬২ বলে ৬টি চার ও ৭টি ছক্কায় দুর্দান্ত ১০০ রান করেন তিনি, যা রাজশাহীর জয়ের ভিত গড়ে দেয়।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের পক্ষে শরীফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ দুটি করে উইকেট নিলেও রাজশাহীর রানরোধে তা যথেষ্ট হয়নি।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
ঢাকায় শুরু হলো ষষ্ঠ অ্যাম্বাসি ফুটবল ফেস্ট
ফিতা সবাই কাটে, আমি কাটলেই বলে, ফিতা কাটা নায়িকা: অপু বিশ্বাস
চিঠি দিয়ে আইসিসিকে নতুন দাবি জানাল বাংলাদেশ