ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দ্রুত অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব ছাড়বে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি শপথ নিতে পারেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করতে পারেন। সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে হ্যান্ডওভার হবে। যদি দেখা যায় তিন দিনের মধ্যে এমপিরা শপথ নিয়েছেন, এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে ডাকা হবে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য। তিন দিনের মধ্যেই এটি সম্পন্ন হতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “১৫ ফেব্রুয়ারিতেও হতে পারে, ১৬ ফেব্রুয়ারিতেও হতে পারে। আমার মনে হয় না এটা ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে।”
এদিকে ব্রিফিংয়ে উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার অভিযোগ করেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের পর ১৮০ দিন ক্ষমতা ধরে রাখবে’—এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, “যারা এই অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্য অসৎ ও উদ্দেশ্যমূলক। তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।”
তিনি আরও বলেন, “সরকার প্রথম থেকেই জনগণকে নিশ্চিত করেছে যে নির্বাচন শেষে যারা নির্বাচিত হবেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবেন, তাদের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার ভার তুলে দিয়ে সরকার দায়িত্ব থেকে সরে যাবে। এ বিষয়ে কোনো দ্বিধা নেই।”
আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, নির্বাচনে বিজয়ী এমপিরা সমান্তরালভাবে ১৮০ কার্যদিবস সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বলেন, “১৮০ কার্যদিবসের বিষয়টি আগেও সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা পরিষ্কার করেছেন।”
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
দেশ এবং জাতি সশস্ত্র বাহিনীর দিকে তাকিয়ে আছে: নৌবাহিনী প্রধান
ভ্যালেন্টাইনে জোভান-নীহার ‘যে কথা হয়নি বলা’
চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা: সরকারের উচ্চপর্যায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ চান ব্যবসায়ীরা