ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো প্রার্থী প্রচারণা চালালে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তার প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
আজ সোমবার নির্বাচন কমিশন এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার পর থেকে প্রার্থীরা আর কোনো ধরনের ভোটের প্রচারণা চালাতে পারবেন না। যদি কোনো প্রার্থী এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এবং তার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে কমিশন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের ব্যবস্থা নিতে পারবে।
তবে প্রচারণার সময় শেষ হওয়ার পর প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চালাতে পারবেন, কিন্তু ভোট চাওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। পাশাপাশি ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোট শেষ হওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সারাদেশে জনসভা আয়োজন বা তাতে অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন।
ইসি জানিয়েছে, আচরণবিধি লঙ্ঘনকে নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আরপিও ৯১খ(৩) অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
একইভাবে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে দলটিকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে। এছাড়া লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও রাখে।
কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে পাওয়া তথ্য বা লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আচরণবিধি ভঙ্গের প্রমাণ মিললে কমিশন তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আরপিও ৯১ঙ অনুযায়ী লিখিত আদেশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হবে। এই আদেশ দ্রুত সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হবে এবং সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এনএনবাংলা/পিএইচ

আরও পড়ুন
ভোট দিতে পারছেন না শাকিব-শুভ-জয়া, অন্য তারকারা কে কোথাকার ভোটার
দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক এজাজকে সরানো হল
র্যাব-ডিজিএফআই বিলুপ্ত চাইলেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম