নতুন সরকার গঠনের পর পেশাগত জীবনে ফিরে যাবেন জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, “আমি আগে কখনো কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ছিলাম না। আবারও সেই নিরিবিলি জীবনে ফিরে যেতে চাই। আমার ভুলত্রুটি থাকতেই পারে, সেজন্য ক্ষমা করবেন। তবে একটি শেষ অনুরোধ—আমাকে দয়া করে ভুলে যাবেন।”
বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ চুক্তি সইয়ের পর মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্ন ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে তাকে জবাবদিহির মধ্যে রাখা হয়েছে। এতে তার কাজের গতি যেমন বেড়েছে, তেমনই যেসব জায়গায় ভুল ছিল, সেগুলো সংশোধনের সুযোগও তৈরি হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, “সরকারে আসার সময় আমার বিশেষ কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। তবে চেষ্টার কোনো কমতি রাখিনি। আল্লাহর রহমতে সৎভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। কারও প্রতি বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতি করিনি।”
বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও জানান, প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতায় তিনি দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন। “যে কোনো বিষয়ে পরামর্শ বা নির্দেশনার প্রয়োজন হলে তিনি আন্তরিকতা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে আমাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সেগুলো প্রতিপালনের চেষ্টা করেছি।”
শেষে তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ্ নতুন সরকার গঠনের পর সঙ্গে সঙ্গে আমি আমার কর্মজীবনে ফিরে যাব। আশা করি, আপনারা আমাকে ভুলে যাবেন এবং ক্ষমা করে দেবেন। আমি ভুলে থাকতে চাই। আমার শেষ অনুরোধ—দয়া করে আমাকে ভুলে যাবেন।”
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে ভারতীয় পোশাক রপ্তানিকারকরা চিন্তিত
শনিবার বিকেল পর্যন্ত জনসভা-শোভাযাত্রা-মিছিলে ইসির নিষেধাজ্ঞা
রয়টার্সের প্রতিবেদন: প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে তারেক রহমান