February 16, 2026
Sunday, February 15th, 2026, 3:21 pm

বিজয়ের পর কৃতজ্ঞতা জানাতে এলাকা ছুটে যাচ্ছেন নবনির্বাচিত এমপি রায়হান সিরাজী

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও সিটি অংশ) আসন থেকে বিপুল ভোটে বিএনপি প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. রায়হান সিরাজী। নির্বাচনে বিজয়ের পর নবনির্বাচিত এমপি কোনো ধরনের আনন্দ মিছিল, শোভাযাত্রা বা উৎসবে না গিয়ে তিনি ব্যস্ত সময় পার করছেন নির্বাচনি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাতে।

বিজয়ের পরদিন থেকেই পূর্বনির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রামভিত্তিক বিভিন্ন এলাকায় ছুটে যাচ্ছেন নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, আলেম-ওলামা, যুবক ও নারী, শিশু, সনাতন ধর্মের লোকজনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তিনি তাদের সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন। বিভিন্ন মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও মতবিনিময় করছেন তিনি। এ সময় মানুষজন নবনির্বাচিত এমপিকে স্বাদরে গ্রহন করছে। জানাচ্ছে ফুলেল শুভেচ্ছা। রায়হান সিরাজী বলেন, এই বিজয় আমার একার নয়, এটি রংপুর-১ আসনের সর্বস্তরের জনগণের বিজয়। আপনারা আমাকে যে আস্থা ও দায়িত্ব দিয়েছেন, তা আমি আমানত হিসেবে গ্রহণ করেছি। আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি এবং আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন,

আমি কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে চাই না। কোনো আক্ষেপ বা বিভেদ নয়,সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সমতার ভিত্তিতে এলাকার উন্নয়ন করতে চাই। আমি আপনাদের এমপি হিসেবে নয়, একজন সেবক হিসেবে পাশে থাকতে চাই। শিক্ষা, কৃষি, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে পরিকল্পিতভাবে কাজ করা হবে। আপনাদের দোয়া, পরামর্শ ও সহযোগিতা ছাড়া এ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন সম্ভব নয়। তিনি নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রতিও সম্মান জানিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সবাই অংশ নিয়েছেন এবং জনগণের রায়কে সম্মান জানানোই রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। আগামী দিনে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নমুখী রংপুর-১ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নবনির্বাচিত এমপির এমন বিনয়ী ও কৃতজ্ঞতামূলক উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। অনেকেই বলছেন, বিজয়ের পরপরই মাঠে থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ প্রয়াস এলাকার রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।