February 20, 2026
Friday, February 20th, 2026, 12:45 am

গণমাধ্যমের ওপর নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ হচ্ছে: জামায়াত আমির

 

গণমাধ্যমের ওপর ‘নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ’ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। সরকার বিরোধী দলের পরামর্শ না মানলে সংসদে কঠোর প্রতিবাদ গড়ে তোলা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ঢাকা-১৫ সংসদীয় আসনে এতিমদের জন্য আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

দলীয় পরিচয়ে জুলুম হলে প্রতিরোধের ঘোষণা

দলীয় পরিচয়ের কারণে কেউ জুলুমের শিকার হলে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, “শুধুমাত্র দলীয় পরিচয়ের কারণে কেউ যেন জুলুমের শিকার না হয়। যদি কেউ জুলুমের শিকার হয়, তাহলে আমরা প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলব।”

তিনি আরও বলেন, সরকার ও বিরোধীদল একসঙ্গে কাজ করলে মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব। সরকারি ও বিরোধীদল মিলে মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে— সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এতিম শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ বার্তা

এতিম শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “এতিমদের থেকে আমরা মনিমুক্তা বের করে আনতে চাই। তাদের এমনভাবে গড়ে তুলতে চাই, যেন তারা দেশ ও জাতি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “যে কাজ করলে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন, আমরা আশা রাখব সরকার সেই কাজটাই করবে।”

‘এখন টিভি’র সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতি নিয়ে ক্ষোভ

সম্প্রতি এখন টিভি-এর চার সাংবাদিকের চাকরি হারানোর বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, “এটা সাংবাদিকদের স্বাধীনতার ওপর নির্লজ্জ আঘাত।”

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকদের চাকরিতে পুনর্বহাল করা হোক। অন্যথায় সরকার একনায়কতন্ত্রের দিকে যাচ্ছে বলে মনে করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর উত্তরের প্রচার সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, থানা আমির ও সেক্রেটারিসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এনএনবাংলা/