Monday, March 2nd, 2026, 1:17 pm

লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত

 

উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহরের কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে রকেট ও ড্রোন হামলার জবাবে লেবাননের রাজধানী বৈরুত–এ বোমাবর্ষণ চালিয়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য উদ্ধৃত করে আল জাজিরা জানিয়েছে, এই বিমান হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত এবং ১৪৯ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (২ মার্চ) ভোরে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলী খামেনি–কে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে তারা ইসরায়েলে এই হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি দাবি করে, ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসন এবং তাদের নেতা, তরুণ ও সাধারণ মানুষকে হত্যার ঘটনায় আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা তাদের জন্য বৈধ। তারা আরও জানায়, উপযুক্ত সময় ও স্থানে জবাব দেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে।

হিজবুল্লাহ আরও বলে, পনেরো মাস ধরে চলা এই আগ্রাসন কোনো সতর্কতামূলক প্রতিক্রিয়া ছাড়া চলতে পারে না। আগ্রাসন থামানো এবং দখলকৃত লেবাননি ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলকে সরে যেতে বাধ্য করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এই সহিংসতা চলমান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করেছে, যা ধীরে ধীরে আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে—একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, অন্যদিকে ইরান ও তার মিত্ররা।

হামলার পরপরই দক্ষিণ বৈরুতে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, দক্ষিণ লেবাননের একাধিক গ্রাম এবং দেশের পূর্বাঞ্চলের বেকা উপত্যকাতেও ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালিয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, তারা লেবাননজুড়ে জোরালোভাবে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করছে। বাহিনীটির ভাষ্য, এই অভিযানে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তের জন্য সংগঠনটিকে দায় নিতে হবে এবং ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য কোনো হুমকি তৈরি করা বা উত্তরের বাসিন্দাদের ক্ষতি করার সুযোগ তাদের দেওয়া হবে না।

তারা আরও দাবি করে, হিজবুল্লাহ লেবানন রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। উত্তেজনা বৃদ্ধির দায় সংগঠনটির ওপর বর্তায় এবং এ ঘটনার জবাবে ইসরায়েলি বাহিনী কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।

এনএনবাংলা/পিএইচ