ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। এ বিষয়ে প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে তোলা হবে বলে দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।
১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হলে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা সাত দিনের ছুটি পাবেন।
চলতি বছর রমজান মাস ৩০ দিন ধরে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের সাধারণ ছুটি নির্ধারণ করে রেখেছে সরকার। ঈদের আগে ও পরে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি ইতোমধ্যে ঘোষণা করা আছে।
ঈদের ছুটি শুরুর আগে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের সরকারি ছুটি রয়েছে। তবে ১৮ মার্চ (বুধবার) অফিস খোলা থাকার কথা ছিল। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এখন ওই দিনটিও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব করেছে।
মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিন ছুটি পাবেন সরকারি কর্মচারীরা।
কেন বাড়ছে ছুটি
স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে প্রায় দেড় কোটি মানুষ রাজধানী ছাড়বেন।
তাদের মতে, গণপরিবহন সংকট, স্টেশন ও সড়ক অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা এবং ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে স্বল্প সময়ে এত বিপুল যাত্রীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও চরম ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা।
১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হলে মানুষ ধাপে ধাপে গ্রামে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এতে একসঙ্গে চাপ কমবে, সড়ক দুর্ঘটনা ও যাত্রী ভোগান্তিও কমবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
ঈদের পরেও থাকছে ছুটি
ঈদের সাত দিনের ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস খোলা থাকবে। এরপর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস-এর সাধারণ ছুটি রয়েছে। তারপর ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্র-শনিবার)। ফলে ঈদের ছুটির পরেও সরকারি চাকরিজীবীরা টানা তিন দিনের আরেক দফা অবকাশ পাবেন।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
পোশাক রপ্তানিতে ধস, টানা সাত মাস চলছে মন্দাভাব
জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা: রমজানে আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি কম ব্যবহারের আহ্বান
‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর