দাম কমাতে বাজারে মজুত থাকা তেল ছাড়ার একটি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর নেতারা বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে বসবেন। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে মাইন বসানোর চেষ্টা করছিল ইরান।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের দপ্তর জানিয়েছে, জি-৭ নেতাদের এই ভার্চুয়াল বৈঠকে চলমান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব, বিশেষ করে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এ প্রসঙ্গে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিমাণ তেলের মজুত বাজারে ছাড়ার প্রস্তাব নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
জি-৭ নেতাদের বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, হরমুজ প্রণালিতে মাইন বসানোর চেষ্টা করছিল এমন কিছু ইরানি জাহাজে তারা হামলা চালিয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রকাশ করা এক ভিডিওতে দাবি করা হয়, ইরানের এসব নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। প্রণালির আশপাশে মাইন পাতা অবস্থায় থাকা ১৬টি জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সতর্ক করে লিখেছেন, যদি সেখানে মাইন বসানো হয় এবং দ্রুত তা অপসারণ না করা হয়, তাহলে ইরানের জন্য সামরিক পরিণতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও ভয়াবহ হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় ট্রাম্প রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন। মঙ্গলবার রাতে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। তবে তেলের মজুত ছাড়ার সম্ভাবনার খবর প্রকাশের পর বুধবার থেকে দাম কিছুটা কমতে শুরু করে।
জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে গত সোমবার ট্রাম্প বলেছিলেন, যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এর কয়েক ঘণ্টা পরই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ঘোষণা দেন, তেহরানের ওপর পরবর্তী হামলার মাত্রা হবে নজিরবিহীন।
এনএনবাংলা/পিএইচ


আরও পড়ুন
দুদকের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, কারামুক্তিতে বাধা নেই
জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণ: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
ইরান পুলিশের সতর্কতা: যারা বিক্ষোভ করবে তারা শত্রু হিসেবে বিবেচিত হবে