Saturday, March 28th, 2026, 12:55 pm

জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতে ১৯ ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় দেশের বিভিন্ন জ্বালানি তেল ডিপোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ) বিজিবি সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে অননুমোদিতভাবে তেল মজুতের অপচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এসব অপচেষ্টা প্রতিরোধ, জ্বালানি তেল বিপণনে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই মোতায়েন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

ডিপোগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে বিজিবি সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সুপরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় সদস্যদের দায়িত্ব পালনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইউনিট সদর থেকে দূরবর্তী এলাকায় দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নিরাপদ স্থানে অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

গত ২৫ মার্চ সকাল থেকে দেশের ৯টি জেলার মোট ১৯টি ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় ১টি, কুড়িগ্রাম জেলায় ২টি, রংপুরে ৩টি, রাজশাহীতে ৩টি, সিলেটে ২টি, মৌলভীবাজারে ৩টি, কুমিল্লায় ৩টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১টি এবং সুনামগঞ্জে ১টি ডিপো রয়েছে।

মোতায়েনকৃত সদস্যরা একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প থেকে নিয়মিত তদারকি চালাচ্ছেন এবং প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করছেন। পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অবৈধ জ্বালানি মজুত ও বিক্রয় রোধ এবং সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ডিপো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ডিপো এলাকায় বিজিবির দৃশ্যমান উপস্থিতির মাধ্যমে জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা এবং জনমনে আস্থা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।

এছাড়াও সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত টহল, নৌ টহল জোরদার এবং বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্তবর্তী আইসিপি ও এলসিপিগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানি-রফতানিতে ব্যবহৃত ট্রাক, লরি ও অন্যান্য যানবাহনে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এনএনবাংলা/পিএইচ