প্রায় ৫৩ বছর পর আবারও মানুষকে চাঁদের পথে পাঠাতে যাচ্ছে নাসা। আর্টেমিস ২ মিশনের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে মানবজাতির নতুন চন্দ্রযাত্রা। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারে চলছে ঐতিহাসিক কাউন্টডাউন।
কারিগরি জটিলতার কারণে ফেব্রুয়ারি ও মার্চে উৎক্ষেপণ পিছিয়ে গেলেও আজ (১ এপ্রিল) নির্ধারিত সময়েই যাত্রা শুরু করার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নাসা।
রয়টার্স জানায়, ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো ১৭-এর মিশনের পর দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল মানববাহী চন্দ্রাভিযান। সে সময় চাঁদ থেকে আনা পাথরের বিশ্লেষণে বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছিলেন, সেখানে পানির অস্তিত্ব নেই—যা দীর্ঘমেয়াদি বসবাসকে কঠিন করে তোলে।
নতুন করে শুরু হওয়া আর্টেমিস প্রোগ্রাম তিন ধাপে পরিচালিত হচ্ছে। এর দ্বিতীয় ধাপ আর্টেমিস ২ -এ মহাকাশচারীরা পৃথিবীর কক্ষপথ ছাড়িয়ে চাঁদের কাছাকাছি গিয়ে উচ্চগতির একটি লুপ সম্পন্ন করে ফিরে আসবেন। তৃতীয় ধাপ আর্টেমিস ৩-এ চাঁদের মাটিতে অবতরণের পরিকল্পনা রয়েছে।
নাসার তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকার ইস্টার্ন ডেলাইট টাইম অনুযায়ী বিকাল ৬টা ২৪ মিনিটে উৎক্ষেপণ হবে ওরিয়ন স্পেসক্রাফ্ট। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী এটি দেখা যাবে ২ এপ্রিল ভোরে। লাইভ সম্প্রচার দেখা যাবে নাসার অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল ও ওয়েবসাইটে।
এই অভিযানে অংশ নিচ্ছেন চার মহাকাশচারী, রেইড ওয়াসম্যান (কমান্ডার), ভিক্টর গ্লোভার (পাইলট), ক্রিস্টিনা কোচ (অভিযান বিশেষজ্ঞ) এবং জেরেমি হ্যানসেন (কানাডিয়ান মহাকাশ সংস্থার প্রতিনিধি)।
নাসার এই নতুন চন্দ্রাভিযানের মূল লক্ষ্য হলো চাঁদে স্থায়ী মানব উপস্থিতি গড়ে তোলা, যা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে কাজ করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মিশন সফল হলে মহাকাশ প্রতিযোগিতায় নতুন গতি আসবে। ইতোমধ্যে চীন ও রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশও চাঁদে নিজেদের উপস্থিতি জোরদার করার পরিকল্পনা করছে।
এনএনবাংলা/

আরও পড়ুন
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১২৫ বার
রাজশাহীতে হামের প্রাদুর্ভাব, ১৫ জনের মৃত্যু
রাহুলের মৃত্যুতে প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে নিচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা