মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার পাঁচগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান সুমন হালদারকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এরপরই ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
পাঁচগাঁও ওয়াহেদ আলী দেওয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি পদের ফলাফল ঘোষণার পর রবিবার (৭ জুলাই) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন, কাওসার হালদার, পরাজিত মিলেনুরের ভাই শেখেনুর ও নূর মোহাম্মদ ভোলার ভাই নুর হোসেন।
টঙ্গীবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা সোয়েব আলী বলেন, ‘রবিবার বিদ্যালয়টির পরিচালনা পর্ষদের সভাপদি পদে নির্বাচন ছিল। এই নির্বাচনে নূর মোহাম্মদের চাচাতো ভাই মিলেনুর রহমান অংশ নিয়ে মাত্র দুই ভোট পান। প্রতিপক্ষ দেওয়ান মো. মনিরুজ্জামন পান ৯ ভোট। চেয়ারম্যান সুমন হালদার বিজয়ী মনিরুজ্জামনের পক্ষে ছিলেন। নির্বাচন শেষে ফলাফল ঘোষণার পর তার বন্ধু নূর মোহাম্মদ ভোলা ক্ষিপ্ত হয়ে বিদ্যালয়ের বারান্দায় সুমন হালদারকে গুলি করে হত্যা করেন। এসময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় তার তিন সহযোগীকে আটক করে পুলিশ। তবে ঘটনার পরপরই নূর মোহাম্মদ পালিয়ে যান। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
পুলিশ সুপার আসলাম খান বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সুমন হালদারকে টঙ্গীবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
—–ইউএনবি

আরও পড়ুন
বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে আইসিসির তিন পর্যবেক্ষণ, অনড় ক্রীড়া উপদেষ্টা
মুস্তাফিজ দলে থাকলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়বে- আইসিসির চিঠি
গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে দেশজুড়ে সরকারের ব্যাপক কর্মসূচি