যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অতর্কিত হামলায় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় মিডিয়া নিশ্চিত করেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শত শত বিক্ষোভকারী মার্কিন কনস্যুলেটের বাইরে জড়ো হয়ে তাণ্ডব চালায় বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। খবর এপি’র।
পাকিস্তানের কর্মকর্তারা জানান, রোববার খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা করাচির মার্কিন কনস্যুলেটের বাইরে সমবেত হয়। এ সময় অনেকে কনস্যুলেটে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা করে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কনস্যুলেটের বাইরে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। বিক্ষোভকারীরা পাথর নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ছোড়ে।
আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, কনস্যুলেট কম্পাউন্ডের ভেতরে কয়েকজন ব্যক্তি জানালা ও দরজার কাচ ভেঙে মূল ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, ভবনের কিছু অংশে আগুন লাগানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা না চালাতে ইরানকে সতর্ক করেছেন।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ইরান আজ ‘অভূতপূর্ব’ আঘাত হানার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। তবে তারা যদি তা বাস্তবায়ন করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও নজিরবিহীন শক্তি প্রয়োগ করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
ইরানে গুণ্ডামি চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র : উত্তর কোরিয়া
ইরানের অন্তর্বর্তী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে আলী রেজার নাম ঘোষণা
সিআইএ ও ইসরায়েল মিলে যেভাবে খামেনির অবস্থান খুঁজে পেল